ফেরাটা সুখকর হলো না তামিমের

নিউজ ডেস্ক: দারুণ ফর্মেই ছিলেন। ইনজুরির কারণে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে খেলতে পারেননি তামিম ইকবাল। ইনজুরি কাটিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই ফিরেছেন একাদশে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা ছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরুর ইঙ্গিতই দিচ্ছিলেন তামিম। তবে সংগ্রহটা বড় করতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশের সমর্থকদের হতাশ করে সাজঘরে ফেরেন টাইগার ওপেনার।

বুধবার পার্লের বোল্যান্ড পার্কে টসে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান মাশরাফি বিন মুর্তজা। ডি ভিলিয়ার্সের ১৭৬, হাশিম আমলার ৮৫ এবং কুইন্টন ডি ককের ৪৬ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৩ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

৩৫৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস ওপেন করতে নামেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। ড্যান প্যাটারসনের করা দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে চার হাঁকিয়ে দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দেন তামিম। একই বোলারের চতুর্থ এবং ষষ্ঠ ওভারের চতুর্থ বলেও বাউন্ডারি মারেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

তবে শুরুর ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি তামিম। বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন এনেই সফলতা পান দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস। অষ্টম ওভারে প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসেই বাংলাদেশ শিবিরে হানা দেন ডোয়াইন প্রেটোরিয়াস। তার ওভারের চতুর্থ বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম।

আউট হওয়ার আগে ২৫ বলে তিনটি চারের সাহায্যে ২৩ রান করেন তামিম। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের আগে তামিমের সর্বশেষ ছয়টি ইনিংস ছিল যথাক্রমে- ৪৭, ৬৫, ১২৮, ৯৫, ০ ও ৭০। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ হার এড়ানোর ম্যাচে বাংলাদেশ যখন তাকিয়ে ছিল তামিমের দিকে ঠিক তখনই তিনি হতাশ করলেন সমর্থক।