কোনো এক বসন্তের দিনে

এম এস প্রিন্স

সবুজ ঘাস গুলো শুকিয়ে গেছে
শিশিরে আর সোনালী আলো দেখা যায় না
বলেই বিদায়; আর পৃথিবীর পরে
জানি না কি মৌক্তিক খুঁজে নিয়ে মিলিয়েছে আপনার তরে।

ধরাতে বসন্ত কুকিলার গান
পত্র পল্লব বেধ করে ছুঁয়ে যায় শিল-রেন্টির ফুলের ঘ্রাণ।
বাড়ির পাশের প্যাঁচা সেও বলে- ‘চিল ডানা মেলে তুই আকাশে
তিক্ষ্ম চোখে দিসনে নজর; বাচ্চা নিয়ে কাঁটা ফুটিসনে মুরগীর আশে।

কালের বহতায় আরো কত কথা
নীরব ভাষায় অতীত, তবু যেন মনে হয় ফসলের মাঠে সবুজ সজীবতা।
হেঁটে চলি আমি একা তবু তোমার স্বর শুনি শান্ত পাখিদের গানে
ঘাস ফড়িং বুঝি আজো অপেক্ষায় চিঠি নিয়ে ধানের পাতার বনে।

দেখা মিলে না ফিরে আসি; চোখ রাখি ফ্রেমে
নয়নের কোণে দাগ পড়েছে-
তবু যেন মনে হয় বসে আছি দু’জন সেই নতুন ধামে।
‘শ্মশ্বত কাল উজ্জ্বল রবে ধরা’ বুঝি আজো মনে আছে তোমার এ কথা-
এই ধারণা।
তাই পাখিদের গান, রেন্টির ফুলের ঘ্রাণ আর ধানের চারার বনে খোঁজে তোমায়
আমার ব্যর্থ প্রেমের প্রতিটি দানা।

মানব রূপে নাই বা যদি পারো তবু কোনো না কোন কালে
ভ্রমর বেশে এসে দেখা দিও আমের মুকুলের ভরা ডালে
সব ব্যথা বেদনা আঁচলে ঢেকে
এই ছাতকের তৃষ্ণা মিটে দিও তোমার প্রেমের জল ঢেলে।