ওষুধের দাম কমানোর জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহবান

নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম ওষুধের দাম কমাতে কোম্পানিগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর অসাধারণ সাফল্য রয়েছে। কিন্তু এর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। তাই ওষুধ কোম্পানির মালিকদের বলবো আপনারা ওষুধের দাম কমান। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ গরিব ও মধ্যবিত্ত।

গতকাল রবিবার মিরপুর সেনানিবাসের প্রফেসনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ থেকে ১৪০টির বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বর্তমানে দেশের বাহিরে বাংলাদেশের তৈরি ওষুধের চাহিদা বেড়েছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইতালি, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে ওষুধ রপ্তানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নেত্রী।

শেখ হাসিনার যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের সম্মানজনকভাবে মিয়ানমারে ফিরাতে তত্পর হয়েছে। মিয়ানমার চাপে পড়েছে, সে কারণেই তাদের (মিয়ানমারের) মন্ত্রী ঢাকায় এসে রোহিঙ্গাদের ফিরানোর কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মায়ের মমতা, বোনের ভালোবাসা নিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন। কিন্তু তার মানে আমরা তাদের তো সারা জীবন থাকতে দিতে পারি না। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যেতেইে হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পপুলেশন কাউন্সিলের এদেশীয় প্রতিনিধি ডা. উবায়দুর রব, ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি লরি কাটো প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিইউপি’র উপাচার্য মেজর জেনারেল মোঃ সালাউদ্দিন মিয়াজি।

ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স এর ডিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রিদওয়ান-আল-মাহমুদ, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি এর পরিচালনার অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিইউপির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম আবুল কাশেম মজুমদার, বিইউপির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বায়নে জনসংখ্যা-চ্যালেঞ্জ ও পরিকল্পিত পরিবারের সুবিধাসমূহের ব্যাপারে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ দিবসটি পালনের লক্ষ্য। নিরাপদ, স্বেচ্ছাসেবী পরিবার পরিকল্পনার লক্ষ্য নিয়ে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ফ্যামিলি প্ল্যানিং : এমপাওয়ারিং পিপল, ডেভেলপিং নেশন্স’। বক্তাগণ বলেন, জনসংখ্যা দিবস বিশ্বব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক স্তরের সচেতনতা অভিযান; যাতে মানুষ প্রতিবছর জনসংখ্যা বিস্ফোরণের কারণ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে জানতে পারে। এ সচেতনতার মাধ্যমে মানুষদের পরিবার পরিকল্পনা, দ্রারিদ্র্যতা, স্বাস্থ্য অধিকার, শিক্ষা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসহ নানাবিধ বিষয় সম্পর্কে উত্সাহিত করা, যাতে সুন্দর একটা বিশ্ব তৈরি করতে পারে।