সংগ্রামী ও তরুণ সফল নারী ব্যবসায়ী আসফা খান

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসফা খান। তরুণ সফল ব্যবসায়ী ।যিনি সংগ্রাম করতে ভালোবাসেন। ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও কারো সহযোগিতা না নিয়ে নিজে নিজে চেষ্টা করেই আজ সফল নারী ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। একজন নারী যে ইচ্ছা থাকলে এবে সে অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করলেই সফল হতে পারে বিষয়টি তারই প্রমাণ দেয়।

মাত্র একুশ বছর বয়সেই কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেন। প্রথমে একটি ট্রেডিং কোম্পানীতে, পরবর্তীতে রিনিউয়েল এনার্জী সেক্টরে জয়েন করেন। এভাবেই চলতে থাকে আসফার পথচলা। এর মাঝে এলিভেটর জেনারেটর নিয়েও কাজ করেছেন। যেকোন কাজই সবসময়ই রুচিশীল ও দক্ষতার সাথে করে থাকেন। প্রতিটি কাজকেই তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেন।

কাজ করেছেন ব্রাইট পাওয়ারটেক লিমিটেড এর কনসালটেন্ট হিসেবে। এরপর যোগদান করেন একটি স্বনামধন্য সোলার কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে। পাওয়ার সেক্টরে সাধারণত মেয়েদের উচ্চ পদে দেখা যায় না কিন্তু সেখানে আসফা খান সফল হয়েছেন। এর মাঝখানে সঙ্গত কারণেই তার ক্যারিয়ারে কিছুদিন ব্রেক ছিলো। এরপর এএ এলিভেটর এন্ড পাওয়ার লিমিটেড এর ডিরেক্টর (অপারেশন্স) হিসেবে যোগদান করেন। যেকোন কাজই তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করে থাকেন।

সম্প্রতি তিনি MABAB (মেকাপ আর্টিস্ট এন্ড বিউটি ব্লগার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর কনভেনার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। আসফা খান মেকাপ ও হেনা আর্টিস্ট হিসেবে প্রায় ৮ বছর ধরে নীরবেই কাজ করে আসছিলেন। এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ঢাকানিউজ২৪ কে বলেন যে, MABAB এর কনভেইনার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এখন আমার দায়িত্ব আরো অনেক বেশি বেড়ে গেলো। আমি আমার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে সর্বোচ্চ চেস্টা করবো।

নানা প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও তিনি তার মতো করেই সফলতার পথে হাটছেন। বিয়ের পর কিভাবে এত কিছুর মাঝে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখবেন, এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে, বিয়ে প্রতিটি নারীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সফল হওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ের প্রতিই সমান গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।নারী হিসেবে বিয়ের বিষয়ে তো অন্তত কিছুটা ছাড় দিতেই হবে। তবে আমি সকল বিষয়ই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে থাকি এবং নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে ভালো কিছু করার চেস্টা করে থাকি।