আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন : “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে সাক্ষরতার বিকল্প নেই। সাক্ষরতার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের দ্বার উন্মুক্ত হয় যা জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যআয়ের দেশে উন্নীত করতে হলে দক্ষ মানবসম্পদের বিকল্প নেই। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৪ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থিতিশীল উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা ও দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ অপরিহার্য। বর্তমান সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত গতিতে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০২১ সালের পূর্বেই মধ্যআয়ের দেশে উন্নীত হবে, ইনশাল্লাহ্।

বর্তমান সরকার শিক্ষার প্রসার ও নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, উপবৃত্তি কার্যক্রমসহ বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে এবং রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে সরকার নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরক্ষরতা দূরীকরণ কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশকে তথ্যনির্ভর পৃথিবীর সামনে মাথা উচুঁ করে দাঁড় করাতে হলে আগামী প্রজন্মকে হতে হবে সাক্ষর এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য Literacy in a Digital World অর্থাৎ ‘সাক্ষরতা অর্জন করি, ডিজিটাল বিশ্ব গড়ি’ যা বাংলাদেশের আকাক্সক্ষা ও প্রত্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আমি ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৭’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”