সিংড়ায় শতাধিক ঈদগাহ মাঠ পানির নিচে

 আবু জাফর সিদ্দিকী,নাটোরঃ আর ২দিন পরেই অনুষ্ঠিত হবে কোরবানী। তবে চলনবিলের বানভাসি মানুষদের এবারের কোরবানী ঈদ হবে একটু অন্য রকম। বন্যায় বাড়ি-ঘর এমনকি ফসল জমি হারিয়ে নি:স্ব চলনবিলের বানভাসি মানুষরা। ইতোমধ্যে ২৭টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষকে ঈদ উদযাপন করতে হবে আশ্রয় কেন্দ্রেগুলোতে।

তাই ঈদের আনন্দ অনেক মলিন চলনবিলের বানভাসি মানুষদের মনে। এদিকে, চলনবিলের সিংড়া উপজেলার শতাধিক ঈদগাহ মাঠ এখনও পানির নিচে থাকায় ঈদুল আযহার নামাজ পড়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে বানভাসি মানুষের মাঝে। এবার ভয়াবহ বন্যার কারণে এখনও এসব মাঠ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। সিংড়া পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়নের ৩৫১টি ঈদগাহ মাঠের মধ্যে এখনও ১১৬টি ঈদগাহ পানিতে তলিয়ে আছে।

তবে পানি নামতে শুরু করায় এসংখ্যা কমে আসার সম্ভাবনা থাকলেও গত দু’দিনে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় আবার সে সম্ভাবনা ক্ষীন হতে চলছে। আর যে সব এলাকার মাঠ পানির নিচে রয়েছে সেসব এলাকার মসজিদ সমূহে নামাজ আদায়ের জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি নিতে উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এদিকে, এবার বন্যার কারণে ব্যাতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিমন্ত্রী পলক। উপজেলার ৩১৭টি ঈদগাহ মাঠের ইমামদের পোশাক দেয়া হচ্ছে। ৩১৭টি ঈদগাহ মাঠের ইমামদের পাঞ্জাবি এবং পায়জামা আগামী ৩১ আগস্ট তাদের হাতে তুলে দিবনে, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সিংড়া উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সূত্রে জানা যায়, সিংড়া উপজেলার ৪৫৬ টি গ্রামের মধ্যে ৩৫১ টি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। তবে এবারের বন্যায় ১৬০টি ঈদগাহ মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়। বর্তমানে এখনও ১১৬টি ঈদগাহ মাঠ পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। তবে বন্যার পানি কমতে থাকার কারনে শুকাতে শুরু করেছে ঈদগাহ মাঠগুলো।