জাবিতে ভর্তি সক্রিয় জালিয়াত চক্র

নিউজ ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৮ অক্টোবর শুরু হবে। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। গত ২০ আগস্ট থেকে ইতোমধ্যে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে। যা চলবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এদিকে এ ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভর্তি জালিয়াত চক্র। টাকার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দিতে প্রতি বছরেই নানা কৌশলে অবলম্বন করে বিভিন্ন চক্র।

দুটি প্রক্রিয়ায় তারা এ প্রতারণার কাজ সম্পন্ন করে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। তা হলো, পরীক্ষার ওয়েমার সিট পরিবর্তন ও পরীক্ষার হলে অন্য আরেকজনকে প্রক্সি হিসেবে পাঠিয়ে বা সহযোগিতার মাধ্যমে চান্স পাইয়ে দেওয়া। আর চান্স পাওয়ার পরেই চুক্তি অনুযায়ী টাকা নেওয়া হয়। আর এর জন্য পরীক্ষার্থীর গুরুত্বপূর্ণ সার্টিফিকেট টাকা না পরিশোধ করা পর্যন্ত জিম্মি রাখতে হয়।

এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের জন্য কক্ষ নির্ধারিত থাকলেও আসন নির্ধারিত থাকে না। তাই এ সুযোগে যে যার মতো কোনো নির্দিষ্ট কক্ষে পরিচিতদের সঙ্গে বসে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পায়। এই কারণে চুক্তি অনুযায়ী ভর্তি করিয়ে দিতে তারা পরীক্ষার হলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের পাঠায়। প্রশ্ন ফাঁস করার মাধ্যমেও জালিয়াত চক্র সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সতর্কতা অবলম্বনের কারণে প্রশ্ন ফাঁস সহজলভ্য না হওয়ায় বিভিন্ন কৌশলে তারা পরীক্ষায় সময় এসব প্রতারণায় লিপ্ত হয়। গত বছরেও এসব অভিযোগে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষার হল থেকে অনেক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এদিকে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় কলা ও মানবিকী অনুষদে সি ও সি১ দুই ইউনিটে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা যায়। যেখানে সি ইউনিটে থাকবে বাংলা, ইংরেজি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রত্নতত্ত্ব, ইতিহাস, দর্শন, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ। আর সি১ এ থাকবে চারুকলা ও নাটক ও নাট্টতত্ত্ব বিভাগ।

অন্যদিকে এবারো গত বছরের মতো কলা ও মানবিকী অনুষদে মানবিক, বিজ্ঞান ও অন্যান্য নামে তিন ভাগে ভাগ করে রেজাল্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা যায়। আর এ ভাগ করে সিট বন্টনের কারণে অন্যান্য ভাগে পড়ে বাণিজ্যিক ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা।

অন্যান্য ভাগে বাণিজ্যিক ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা পড়ার কারণে এক ভাগে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীর ফলে সিট সংখ্যা দুই বিভাগের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। আর সিট সংখ্যা অন্যান্য ভাগে কম হওয়ায় মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের চেয়ে ভর্তির কম সুযোগ পায় বাণিজ্যিক ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। প্রতিবছর অধিক নাম্বার পেয়েও এ দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভাগের কারণে ভর্তি থেকে অনেকে বঞ্চিত হন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান জানান, সিট বন্টনের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিভাগ যেভাবে সিট বন্টন করে বিশ্ববিদ্যালয় সে