“যোগ্য নেতৃত্ব, সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আর টগবগে তারুণ্যের সম্মিলনে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জন করতে সক্ষম হবো” – ড. আতিউর রহমান

বিশেষ প্রতিবেদন : “আমাদের রয়েছে যোগ্য নেতৃত্ব, অসংখ্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান; রয়েছে টগবগে তারুণ্য, তাদের অনেকেই রয়েছেন মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনে, রয়েছে দারিদ্র্য নিরসনে বিপুল অভিজ্ঞতা। এসবের সমন্বয় ঘটিয়ে অবশ্যই আমরা অতি-দারিদ্র্য নিরসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়নের বাদ বাকি লক্ষ্য সমূহও অর্জন করতে সক্ষম হবো”। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ আয়োজিত ডেভেলপমেন্ট এক্সপোজিশন এ উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় একথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি’র ট্রেজারার ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডীন এ জে এম শফিউল আলম।
 
ড. আতিউর বলেন এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য সারা বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে। এসডিজি পূরণের চ্যালেঞ্জ সে তুলনায় অনেক কঠিন হলেও বাংলাদেশ এ লক্ষ্যগুলো অর্জনে বদ্ধ পরিকর। সৌভাগ্যক্রমে এসডিজি পূরণের প্রথম ৫ বছর এবং বাংলাদেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কাল একই। তিনি বলেন ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবয়ান সেল গঠিত হলেও, সরকার একা এসডিজির লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে পারবে না। এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের একার পক্ষে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা সম্ভব হবে না। আর এ কারণেই পুরো প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিখাতকে যুক্ত করার ‍উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলাফল নির্ভর উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের জন্য ব্যক্তিখাতের পাশাপাশি এনজিও ও সামাজিক সংগঠনগুলোকেও যুক্ত করা হচ্ছে।

উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ থেকে পড়ালেখা শেষ করা তুরুণরা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন বলে ড. আতিউর অভিমত দেন। তিনি বলেন উন্নয়ন অধ্যয়ন মূলত একটি ব্যবহারিক বিষয়, এটিকে ব্যবহারিক অর্থনীতিও বলা চলে। কারণ এখানে শিক্ষার্থীরা অর্থনীতির মূল বিষয়গুলোর পাশাপাশি সমাজবিজ্ঞান, নৃতত্ত্ব, কৃষি ও গ্রামীন উন্নয়ন নিয়ে পড়ালেখা করে থাকেন। ফলে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই এখান থেকে ডিগ্রী নেয়া শিক্ষার্থীরা উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে তিনি মনে করেন।