স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রধান লক্ষ্য আগস্ট মাস

এস এম আব্রাহাম লিংকন:  আগস্ট বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে দুঃখের মাস। প্রাণহানির দিক থেকে মার্চ মাস অনেক ভয়াবহ হলেও সেখানে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা আছে। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের দিনও এ মাসেই। মার্চে বিসর্জন ও অর্জন দুটোই আছে কিন্তু আগস্টে শুধুই বির্সজন।

রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু। শামসুর রাহমান থেকে হুমায়ুন আজাদ- সবাকে আমরা এই আগস্টে হারিয়েছি। এই মাসেই দেশের ৪৬৪ স্থানে একইদিনে, একই সময়ে একযোগে বোমাবাজি চালানো হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পিত অপারেশন ছিল আগস্টের একুশ তারিখ। সেদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মানব ঢালের কারণে বেঁচে গেলেও বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে জীবনদান করতে হয়েছিল। আইভি রহমান, মোহাম্মদ হানিফ, সুরঞ্জিত সেন গুপ্তসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী যখম হয়েছিলেন। সেই গুরুতর জখমেই আগস্টে আইভি রহমান এবং কিছুদিন পরে মোহাম্মদ হানিফ মৃত্যুবরণ করেন। আগস্ট মাসে মৃত্যুর মিছিল শেষ হচ্ছে না। এই মাসটি বাঙালির জীবনে কান্নার মাস হলেও ঘাতকদের কাছে এটি রক্তের উৎসবে হলিখেলার মাস।

আগস্টের নানা প্রকার হামলা ও আক্রমণে যেসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর নাম পাওয়া যাচ্ছে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায়, এই ঘটনাগুলোর ঘটক ও অনুঘটক সবাই কোনো না কোনোভাবে পাকিস্তানি রাজনৈতিক ধারা বা ভাবধারায় সম্পৃক্ত।

পাকিস্তানিরা আগস্ট মাস এলে কষ্টবোধ করে, হিংস্র হয় ’৪৭ এ পাওয়া ভূখণ্ডের খণ্ডিত রূপ দেখে। পূর্ব পাকিস্তানের বিয়োগ তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে তারা এখনো মানে না। বাংলাদেশের সাফল্য তাদের কষ্ট দেয়। একাত্তরে পাকিস্তানের পরিণতির জন্য তারা অভিযুক্ত করে বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও ভারতকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যাসহ অন্যান্য ঘটনাগুলো আগস্টভিত্তিক হওয়ার কারণ আগস্টের বদলা আগস্টে নেয়ার মনোভাব। আগস্টে পাকিস্তানের স্বাধীনতাকে যেহেতু বাঙালিরা খণ্ডিত করেছে, যেহেতু পনেরো আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা ভারতীয় জনগণের আনন্দের দিন, তাই তাদের আনন্দের দিনে মিত্র রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি করে ভারতকে জানান দেয়াটাও একটা কারণ বলে অনেকের ধারণা। নতুবা পনেরো আগস্ট কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে? ভারত চৌদ্দ আগস্ট স্বাধীন না হয়ে পনেরো আগস্ট হওয়ার কারণকে অনেকেই বলেন লগ্ন অনুসরণ করা একটি বড় কারণ ছিল। তাই পাকিস্তানি অনুসারীরা ভারতের শুভলগ্নের দিনে একটা মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে। আগামী দিনে নিশ্চয়ই গবেষকরা বিষয়টি পরিষ্কার করবেন।

ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে শুধু অর্থনৈতিক ভাবেই পিছিয়ে দেয়নি তারা রাজনৈতিক, সামাজিক ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটা বিপর্যয় ঘটাতে সক্ষম হয়। তারা মোটা দাগে চারটি কাজ করে আমাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয় সংঘটন করে। কাজগুলোর প্রথমটি হচ্ছে- স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসন, মৃত বঙ্গবন্ধুকে বিকৃত করে উপস্থাপন ও ভারতবিরোধীতা। দ্বিতীয়টি ছিল রাজনীতিকে ব্যবসায়ীদের হাতে স্থানান্তর, তৃতীয়টি ছিল- ছাত্র রাজনীতিকে সন্ত্রাস ও বিত্তবৈভব সৃজনের হাতিয়ারকরণ এবং চতুর্থটি ছিল- সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক শক্তি দুটিকে পরস্পর সংস্কৃতি ও রাজনীতিবিরোধী অবস্থানে নেয়া।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রীরা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেও বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর রাজনীতি ও সামরিক বাহিনী দুটোই তাদের হাতছাড়া হয়। তাদের নেতারও ফাঁসি হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক শক্তির বিকাশ জিয়াউর রহমানদের জন্য জরুরি ছিল। জিয়াউর রহমান জাসদকে বিশ্বাসে নিতে পারেননি ফলে নতুন করে শক্তির সন্ধানে তিনি স্বাধীনতাবিরোধীদের কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের নিয়ে দল গঠন করেন। তার সঙ্গে যোগ দেয় জামায়াত-মুসলিম লীগসহ স্বাধীনতাবিরোধীরা, মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মতো চৌকস চীনপন্থিরাও আশ্রয় ও নেতৃত্ব পায় জিয়ার কাছ থেকে।

স্বাধীনতাবিরোধী শাহ আজিজুর রহমান জিয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রীও হন। এসব শক্তি বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও ভারত বিরোধিতাকে মূল এজেন্ডা হিসেবে নিয়ে রাজনীতির মাঠ দখল করেছিলেন। তাদের রাজনীতির কারণে এদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াত-মুসলিম লীগ এবং বিপুল সংখ্যক রাজাকার ও পিস কমিটির সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতি থেকে তার সঙ্গে যোগ দেয়। জিয়া এবং এরশাদ দু’জন শাসক মৌলবাদকে শুরু থেকে পৃষ্ঠপোষকতা দান করে। যে সূত্র ধরে মৌলবাদ আজ আমাদের দেশে নিজেদের একটা বড় শক্তি হিসেবে গড়ে তোলে। তারা যেমন মাঠে সুযোগ পায় তেমনি ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করার আইনানুগ সুযোগে তারা সর্বত্র বিচরণ করার একটা সুযোগ পায়।

এই কাজগুলোর মধ্য দিয়ে জাতির মাইন্ডসেট চেঞ্চ করার জোর প্রচেষ্টা ছিল তাদের। পঁচাত্তর পরবর্তী সামরিক শাসকরা ক্ষমতা নিয়েই ছাত্র রাজনীতিকে পঙ্গু করার কৌশল নিয়ে অগ্রসর হয়। মেধাবি ছাত্র গোলাম ফারুক অভি, নীরু, বাবলুর মতো অনেক তরুণকে ভুল রাজনীতির পথে ঠেলে দেয়া হয়। ছাত্র নেতাদের হাতে যেমন অস্ত্র তুলে দেয়া হয় তেমনি ছাত্রদের চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নোংরা খেলা আমরা দেখেছি। জিয়া ও এরশাদের সময় ছাত্র রাজনীতি মানেই সন্ত্রাস আর সন্ত্রাস। মানুষ রাত হলেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে নিয়মিত গুলি আর বোমার আওয়াজ পেত। এই সুযোগে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে মৌলবাদী ছাত্র সংগঠনের বিকাশ লক্ষণীয় পর্যায়ে ছিল।

জিয়াউর রহমানের শাসন সুবিধাকে ধরে মৌলবাদ নিজেদের গুছিয়ে ফেলে। এরশাদের সময় এই মৌলবাদ পুষ্ট হয়ে নিজেদের সমাজ ও প্রশাসনে বিস্তৃত করে এবং বেগম খালেদা জিয়ার দু’বারের শাসনে মৌলবাদ বেপরোয়া হয়ে পড়ে। বাংলা ভাইসহ নানা নেতার আবির্ভাব ঘটে। তারা একদিকে মাঠে-ময়দানে ইসলামী জলসার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তাদের ছায়াতলে জড়ো করতে থাকে, অন্যদিকে পাহাড়-পর্বত অরণ্যে অস্ত্রভিত্তিক নানা শাখা সংগঠন গড়ে একটি শক্ত সামরিক শক্তিরও উত্থান ঘটায়। বেগম খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মেয়াদের শাসনে কার্যত সব নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছিল মৌলবাদের হাতে। চট্টগ্রামের সরকারি জেটি ব্যবহার করে দশ ট্রাক অস্ত্র খালাস সে ধারণাকে শক্তভাবেই পরিষ্কার করে। তারা যেমন মৌলবাদের বেপরোয়া বিকাশ ঘটায় তেমনি দেশজ সংস্কৃতি বিনাশের কাজটিও নিপুণভাবে করেছিল।

এদেশের গ্রাম সমাজে শত শত বছর ধরে চলে আসা যাত্রাপালা, জুয়ার অভিযোগ তুলে বন্ধ করে দেয়া হয়। এখন গ্রাম সমাজে যাত্রা নেই। আগে স্কুল-কলেজগুলোতে বার্ষিক নাটক, বিচিত্রা অনুষ্ঠান হতো। কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হতো আজ সেগুলো নেই। এই বন্ধের কাজটি নিপুণভাবে মৌলবাদ করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ সংস্কৃতি চর্চা এককেবারেই নেই। এই না করার কাজটি করতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মৌলবাদী সংগঠকদের ঢুকানো হয়েছে। এরা কখনো শিক্ষক হিসেবে কখনো প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মুক্ত জ্ঞান-চর্চার কেন্দ্র ভাবা হলেও সেখানে সংস্কৃতির চর্চা নেই বললেই চলে।

যতটুকু আছে তা দু’একটি সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এর চর্চা দেখা যায় না। এই সংস্কৃতি বিবর্জন পরিকল্পিত। মৌলবাদ জানে যে শিশুটি শৈশবে সংস্কৃতি কর্মে যুক্ত হবে তার ভেতরে অসাম্প্রদায়িকতা জš§ নেবে। আজ সংস্কৃতি চর্চার অভাব আমাদের প্রন্মকে ক্রমান্বয়ে সংস্কৃতি বিরোধী করেছে, সেটিও পরিকল্পিত। এখন এই চর্চাকে বেদাত হিসেবে প্রচার করা হয়। মৌলবাদী চিন্তকরা জানে ভারত বিভক্তির পর পাকিস্তান মুসলিম লীগের কবর রচিত হয়েছিল এর প্রধান কারণ ছিল সংস্কৃতির জাগরণ। পাকিস্তানবিরোধী রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়েছিল সংস্কৃতি কর্মীরা, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। সে কারণে তারা পঁচাত্তরের পনেরো আগস্টের পর থেকেই পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সংস্কৃতি কর্মীদের শ্লথ করার কাজটি করেছে। এরা মনোজগতের পরিবর্তন ঘটাতে এসব করেছিল। আগে দেখা যেত একজন সংস্কৃতিকর্মী রাজনৈতিক দায়বোধ করতেন এবং একজন রাজনীতিক সাংস্কৃতিক দায়বোধ করতেন।

আজ সংস্কৃতিকর্মীরা রাজনীতি বিমুখ এবং রাজনীতিকরা সংস্কৃতিবিরোধী এই পরিস্থিতি পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর রোপণ করা হয়েছে। এই বিভাজন ও সংস্কৃতিহীনতা যা মোটেও আকস্মিক নয় বরং পরিকল্পিত। এখনো আওয়ামী লীগ, সংস্কৃতি সংগঠন ও বামসংগঠন গুলোই মৌলবাদের মূল টার্গেট। আগে মৌলবাদ মাঠ পর্যায়ে কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে বলত এখন তারা ক্ষয়িষ্ণু হওয়ায় আওয়ামী লীগই টার্গেট। যে টার্গেটের প্রয়োগ ছিল একুশ আগস্ট। এখানে হাওয়া ভবন বিএনপি ও মৌলবাদ জয়েন্টভেঞ্চারে কাজটি করেছিল। একুশ আগস্টের আগে যশোরে উদীচী, ঢাকায় ছায়ানটসহ নানা সংগঠনের অনুষ্ঠানে হামলা ও হত্যা একই রাজনীতির নগ্ন প্রয়োগ বলেই অনেকে মনে করেন।

পঁচাত্তর পরবর্তী শাসকরা রাজনীতিকে ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিয়ে আর একটি সর্বনাশ করেছিল। পার্লামেন্ট এবং রাজনৈতিক শক্তিকে সামরিক-বেসামরিক আমলাদের অনুকূলস্থ করার জন্যই এটি ছিল।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ধর্মনিরপেক্ষতা নির্বাসিত হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির বদল ঘটানো হয়েছে। জাতির মননে মৌলবাদী সংস্কৃতির প্রবেশে জোর প্রচেষ্টা হয়েছে, বদল করা হয়েছে আমাদের পোশাক সংস্কৃতি। পঁচাত্তরে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুই শুধু হত্যা হয়নি একইসঙ্গে হতাকাণ্ডের শিকার হয়েছে ত্রিশ লাখ শহীদের স্বপ্নসাধ। আহত হয়েছে খুনিরা ছাড়া অবশিষ্ট বাঙালি। এখনো বাঙালির সে কান্না শেষ হয়নি।

এই আগস্টকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতাবিরোধীদের পরিকল্পনার বাস্তবান শেষ হয় নাই, ওরা এখনো বেপরোয়া। গত পনেরো আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে হামলার পরিকল্পনা ছিল ঘাতকদের। সফল হতে পারেনি একজন ঘাতক সেদিন ধানমণ্ডির একটি হোটেলে আত্মঘাতি হয়। জঙ্গি তৎপরতাগুলো অব্যাহত ষড়যন্ত্রের কথাকেই স্মরণ করে দেয়। ওরা একুশ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারেনি কিন্তু অপারেশন ক্লোজ করেনি। ওরা এখনো পঁচাত্তরের লক্ষ্য নিয়েই আছে। কৌশলে ভিন্ন ভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ করলেও একই লক্ষ্যাভিসারী। অথচ আমরা গণতন্ত্রী, সমাজতন্ত্রী স্বাধীনতার পক্ষ বলে দাবিদাররা বিভাজিত। আমাদের নিজেদের বিভাজন ও কথাবার্তা এমন পর্যায়ে যা কখনো কখনো তা স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষেই যায়। বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে অপসারণ। তারা আশাই করছে বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনার পরিণতি। যা তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্যকেই বাস্তবায়িত করবে।

মনে রাখতে হবে বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশ খাদে পড়েছিল কিন্তু শেখ হাসিনাবিহীন বাংলাদেশ আফগানিস্তান-ইরাকের চেয়েও কঠিন গহ্বরে পড়বে। যা আমাদের রাষ্ট্রের বৈরী শক্তি ও প্রতিযোগীরা চায়। রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতা আর রাষ্ট্রকে বিপর্যয়ে ফেলার কর্মকাণ্ড এক নয়। পঁচাত্তরপন্থীরা শেষক্তটিই চায় যা রাষ্ট্রকেই বিলোপ করবে।

লেখক: আইনজীবী, কলামিস্ট ও সাবেক এজিএস, রাকসু