রাজধানীতে পশু বর্জ্য ফেলতে দেয়া হবে ৫লাখ পলিব্যাগ

নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫ লাখ পশু কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবধরনের প্রস্তুতি হাতে নিয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি, সরবরাহ করা পলিব্যাগ ব্যবহারসহ নাগরিকদের পূর্ণ সহযোগিতা পেলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্যমুক্ত করা সম্ভব হবে রাজধানী, এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, সিটি করপোরেশনের নেয়া পদক্ষেপ নগরবাসীর কাছে প্রচারের পরামর্শ দিয়েছেন নগরবিদরা।

প্রতিবছর ঈদুল আযহায় পশু কোরবানিকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায় রাজধানীর বর্জ্য। বিগত বছরগুলোতে এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হিমশিম খেতে হলেও, গত দুই বছর ধরে অনেকটা পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য অপসারণ করছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন।

যদিও গতবছর রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পানিতে পশুর রক্ত মিশে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় অনেকটাই ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে নগরবাসীকে। এছাড়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা না পাওয়াসহ দূরবর্তী স্থান হওয়া নগরবাসীর পক্ষ থেকে তেমন সাড়া মেলেনি নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানির বিষয়ে।

প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা ও গত দুই বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবছরের ঈদুল আযহার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

এবছর দুই সিটিতে বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত থাকবে প্রায় ১২ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। বর্জ্য ফেলার জন্য দুই সিটি মিলিয়ে বিতরণ করা হবে প্রায় ৫লাখ পলিব্যাগ।

এদিকে গতবছর বৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতার সঙ্গে পশুর রক্ত মিশে তা চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে রাজধানীর কয়েকটি এলাকার কারণ হয়ে দাড়ায় নগরবাসীর। এবছর। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার বিষয়টি মাথায় রেখেই এবছরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন নগর বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়া নগরীর সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সড়কের উপরে এবং খেলার মাঠে যাতে অবৈধভাবে গরুর হাট না বসে এবিষয়ে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই নগরবিশেষজ্ঞ।