চাটমোহরে ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দী

চাটমোহর প্রতিনিধি: পাবনার চাটমোহরের বড়াল, গুমানী ও চিকনাই নদীর পানি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এতে নদীর পার্শ্ববর্তী সড়ক, স্কুল, লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। পানি ঢুকেছে অন্ততঃ ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক, বাড়িঘর এবং ফসলি জমি।

পাশাপাশি বন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বিভিন্ন সড়ক। চাটমোহর-হান্ডিয়াল সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বড়াল, চিকনাই ও গুমানী নদীর পানি উপচে পড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। উপজেলার নিমাইচড়া, হান্ডিয়াল, ছাইকোলা, বিলচলন ও হরিপুর ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। প্লাবিত হয়েছে বাড়ি-ঘর। নদীতে প্রতিদিন পানি বাড়ছে। ইতিমধ্যে বড়ালের পানি বেড়ে গিয়ে পানি ঢুকেছে চাটমোহর পৌর শহরে। উপজেলার বন্যা কবলিত ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

পানিবন্দী এ সব পরিবার দৈনন্দিন কাজ-কর্মে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তারা সব চেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছে তাদের গবাদী পশু নিয়ে। গো-খাদ্যের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তাছাড়া বন্যার পানিতে বোনা আমন, আউশ ও সবজি তলিয়ে গেছে। এতে এ জনপদের কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। বন্যার পানির তোড়ে নতুন করে পাকা করা চাটমোহর-হান্ডিয়াল সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে, বন্যার পানিতে হান্ডিয়াল কলেজসহ বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। নিমাইচড়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী কামরুজজামান খোকন জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শ’শ’ পরিবার পানিবন্দি। হান্ডিয়াল ইউপি চেয়ারম্যান কে এম জাকির হোসেন জানান, হান্ডিয়াল ইউনিয়ন এমনিতে বন্যা কবলিত। ইতোমধ্যে প্রায় সব গ্রামই প্লাবিত হয়েছে। চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেহেলী লায়লা জানান, বন্যার পানি বাড়ছে। কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।