সমুদ্রে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালি ইলিশ

নিউজ ডেস্ক: গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালি ইলিশ। পাইকার, আড়ৎদার, জেলে ও শ্রমিকের ভিড়ে এখন মুখর দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পাথরঘাটার বিএফডিসি ঘাট। ইলিশ ধরা পড়ায় খুশি জেলেরা।

প্রশাসনের কঠোর ভূমিকায় একের পর এক জলদস্যু বাহিনী আত্মসমর্পণ করায়, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার নিরাপদ পরিবেশ ফিরে পেয়েছেন জেলেরা । সে সঙ্গে গত এক সপ্তাহ ধরে বেড়েছে মাছের ধরার পরিমাণও। প্রতিদিন শত শত ট্রলার মাছ বোঝাই করে ফিরছে বরগুনার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পাথরঘাটার বিএফডিসি ঘাটে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ট্রলারগুলো থেকে বিক্রির জন্য শত শত মণ মাছ উঠছে। আড়ৎদারদের মাধ্যমে পাইকাররা মাছ কিনে পাঠাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন মোকামে।

জেলেরা জানান, মৌসুমের শুরুতে মাছ পড়েনি, এখন মোটামুটি ভালোই মাছ পড়ছে। জলদস্যুদের দৌরাত্ম কমায় স্বস্তিতে আছেন বলেও জানান তারা।

তবে বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। দেশের বিভিন্ন মোকামে মাছ পাঠাতে যে পরিমাণ বরফ দরকার তা পাচ্ছেন না তারা। পাশাপাশি বরফের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহের খরচ বেড়েছে।

এক পাইকার বলেন, ‘চাহিদার চেয়ে বর্তমানে মাছ বেশি আছে। কিন্তু বরফের অভাব, দামও অনেক বেশি।’

আরেক জন বলেন, ‘এক মন মাছ কিনলাম আমি ১৪ হাজার টাকায়। বরফ লাগে পাঁচ থেকে ছয়শ টাকার।’

মাছ বিক্রির সুযোগ সুবিধা বাড়াতে তৎপর বলে জানালেন পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লে. এম নুরুল আমিন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আড়তদার, পাইকার এবং সবাইকে যেভাবে এখানে সুযোগ-সুবিধা দিয়েছি তাতে করে তারা কিন্তু এখানে মাছ ল্যান্ডিং করতে খুবই আগ্রহী। আমাদের পরিকল্পনা আছে, এটাকে আরো বৃহৎ করার।’

আগস্ট মাসের শুরু থেকেই গড়ে প্রতিদিন ৫৪ মেট্রিক টন মাছ উঠছে এ অবতরণ কেন্দ্রে। এতে প্রতিদিন প্রায় আড়াই লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হচ্ছে।