টানা বর্ষণে বোয়ালখালী পানি বন্দী

রনজিত কুমার শীল, চট্টগ্রাম : টানা ও ভারী বর্ষণ,কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের পানি এবং কাপ্তাই হ্রদের পানি ছাড়ার কারণে নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৫/৬ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে বোয়ালখালীর নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। কালুরঘাট- ভান্ডালজুড়ি সড়ক,ফুলতলা- গোমদন্ডী উপজেলা সদর মুল সড়কসহ অন্যান্য আরো গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরণদ্বীপ,কধুরখীল, গোমদন্ডী উপজেলা সদর,পশ্চিম শাকপুরা,আফইল্যার মা’র টেক ও চরখিদিরপুরসহ অন্যান্য এলাকার মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে।

হাজার হাজার ঘর বাড়ীতে ঢুকে পড়েছে পানি। কালুরঘাট- ভান্ডালজুড়ি সড়কের চরণদ্বীপস্থ সাবেক এমপি মরহুম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ীর সামনের অংশ,ভরাপুকুর পাড়,হযরত অছিয়র রহমান শাহ’র মাজার গেইট,চরণদ্বীপ মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ও ফকিরহাটের আশপাশে ব্যাপক অংশ ভেঙ্গে গিয়ে পানিতে তলিয়ে গেছে।ফলে এ সড়ক দিয়ে চরণদ্বীপ- কধুরখীল বাসীর শহরে আসা যাওয়ার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টানাবৃষ্টির কারনে কর্ণফুলী নদী লাগোয়া চরণদ্বীপ জেলে পাড়া,বড়ুয়া পাড়া, নোয়ারাস্তার মাথা ও কধুরখীল চৌধুরীহাট অংশে ব্যাপক ভাঙ্গনের কারনে কর্ণফুলী নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বাড়ী-ঘর।

এছাড়া বৃষ্টি ও জোয়ারের কারনে বোয়ালখালী উপজেলা সদরের গোডাউন থেকে গোমদন্ডি ফুলতলা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উপর দিয়ে ৩/৪ ফুট পানি প্রবাহিত হওয়ায় অফিসগামী কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ এলাকাবাসীর দুর্ভোগের অন্ত নেই।পানির কারনে বোয়ালখালীর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ ঘোষনা করেছে কর্তৃপক্ষ।জলাবদ্ধতার কারনে বোয়ালখালীতে ব্যাপক ক্ষয়- ক্ষতি হয়েছে ফসল ও ফসলী জমির। রাস্তা ও বাড়ীর আঙ্গিনায় ৩/৪ ফুট পানি জমে থাকার কারনে এসব এলাকার মানুষ ঘর থেকে পর্যন্ত বের হতে পারছেনা।এ ব্যাপারে সরকার সহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জরুরী বলে মনে করেন বোয়ালখালীবাসী।