একসাথে দুই চাকরি আইন মানেন না ডাঃ ফিরোজ খান

স্টাফ রিপোর্টার: কোন প্রকার আইনকেই তোয়াক্কা করেন না উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কলেজছাত্রী শারমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামী (সাময়িক বরখাস্ত) ডাঃ ফিরোজ আহমেদ খান।

গাজীপুরের এক আওয়ামী লীগ নেতার কন্যা কলেজছাত্রী শারমীন গলায় সামান্য সিস্ট (গোটা) নিয়ে চিকিৎসার জন্য ডাঃ ফিরোজ খানের কাছে এলে তিনি তাকে ভুল তথ্য দিয়ে বাড়তি টাকা রোজগারের উদ্দেশ্যে ভুল অপারেশন করেন এতে শারমীনের মৃত্যু হয়।

শারমীনের মা সুফিয়া বেগম এ বিষয়ে উত্তরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ২টি তদন্ত কমিটি গঠন করে। হাসপাতালের ২টি তদন্ত কমিটিই ভুল চিকিৎসা ও চরম দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিলের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফিরোজ খানসহ চারজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।

বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ এন্ড সাইন্স ইনষ্টিটিউটের নীতিমালার ৬৯ নং ধারায় বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের কেউ সাময়িকভাবে বরখাস্ত হলে তিনি অর্ধেক বেতন পাবেন এবং প্রতিদিন তাকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তিনি কখনোই কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

কিন্তু ডাঃ ফিরোজ খান কোন প্রকার নিয়ম-নীতি না মেনে রূপগঞ্জের ইউ এস বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকরি করছেন এবং একইসাথে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে নিয়মিত বেতন ভাতা গ্রহণ করছেন। ইউ এস বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ডাঃ মাহবুব উল হক ফিরোজ খানকে চাকরি দেবার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ স্টাডিস এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে কো-অনারারী সেক্রেটারি রেজুয়ানুল হক বলেন ‘বিষযটি আমাদেও নলেজে এসেছে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে খুব শীঘ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফিরোজ খানের মত একজন ডাক্তাররুপী কসাই কিভাবে আবার চাকরি পায় তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পর্যবেক্ষ মহল। খুব শীঘ্রই দুই হাসপাতাল থেকেই তাকে বরখাস্ত করা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ।