মুক্তিযুদ্ধকালীন ধর্ষণ গণহত্যার শামিল: ট্রাইব্যুনাল

নিউজ ডেস্ক:  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন ধর্ষণ ও গণধর্ষণকে গণহত্যা বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার কিশোরগঞ্জের দুই আসামির ফাঁসির দণ্ডের রায়ে এমন স্বীকৃতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

বুধবার একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কিশোরগঞ্জের মোসলেম প্রধান ও পলাতক আসামি মো. হাসানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার ৪ নম্বর অভিযোগে ধর্ষণের অপরাধে মো. হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের রায়ে যুদ্ধকালীন ধর্ষণ গণহত্যার সমান অপরাধ বলে উল্লেখ করা হয়।

রায় ঘোষণার পর প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আসামিদের দুটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো যুদ্ধকালীন ধর্ষণকে গণহত্যার শামিল অপরাধ ধরা হয়েছে।’

চার নম্বর অভিযোগে বলা হয়েছে, দামপাড়া গ্রাম ও নিকলী থানা ভবন, সদরের মহাশশ্মান এলাকায় ৭১ সালের আগস্টের মাঝামাঝি সময় থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হোসাইনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সুধীর সূত্রধরসহ ৩৫ জনকে হত্যা ও বাদল বর্মনসহ চারজনকে নির্যাতন করা হয়।