নীরবে ২০ বছর পূরণ করল জিপি

নিউজ ডেস্ক:  নীরবেই দুই দশক পূরণ করলো গ্রাহক বিচারে দেশ সেরা মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন।

কোনো রকম আড়ম্বর নেই। একেবারে চুপচাপ থেকেই বাংলাদেশে নিজেদের সেবার দুই দশক পার করলো অপারেটরটি।

১৯৯৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম জিএসএম অপারেটর হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল গ্রামীণফোন। যদিও লাইসেন্স পেয়েছিল এর আগের বছরের শেষ দিকে।

যাত্রার পর থেকেই একে একে সাফল্য কুড়িয়েছে অপারেটরটি। এখন তাদের নেটওয়ার্কে আছে প্রায় ছয় কোটি কার্যকর সংযোগ।

ওই হিসেবে গড়ে প্রতি বছরে ৩০ লাখ গ্রাহক তাদের নেটওয়ার্কে যোগ হয়েছে। মাসের হিসাবে যা দাঁড়ায় আড়াই লাখ। দিনের পরিসংখ্যান করলে তা আট হাজার সাড়ে তিনশ’র কিছু বেশি।

স্মরণীয় দিনটাকে গ্রামীণফোনের আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপনের খবর মেলেনি। এমনকি বর্তমান নির্বাহীদের কেউ তা ঘটা করে স্মরণও করেনি। তবে মইনুল কাদের হিমু নামে গ্রামীণফোনের একজন পুরনো কর্মী তার পেইজে এ বিষয়ে দুটি পোস্ট দিয়েছেন।

এ দুটি পোস্টে ওই কর্মকর্তা গ্রামীণফোনকে শুভ জন্মদিন জানানোর পাশাপাশি অপারেটিরটির দুই উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল কাদির ও মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

প্রথম পোস্টটিতে তিনি লেখেন, ‘গ্রামীনফোনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা ইকবাল কাদির ও মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি শ্রদ্ধা আর টেলিনরের প্রতি কৃতজ্ঞতা আমার মতো অগুণিত মানুষের জীবন সাজিয়ে দেয়ার জন্য!”

দ্বিতীয় পোস্টটিতে গ্রামীনফোন পিপলস কাউন্সিলের সাবেক এ সভাপতি লেখেন, ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যখন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ১ শতাংশ তখন কাদির সাহেবের বয়স মাত্র ৩৩। তেত্রিশ বৎসরের সেই তরুন এক ভয়াবহ স্বপ্ন দেখলেন আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আগ্রাসী উদ্যোগ নিলেন।

“১৯৯৭ সালে কাদির সাহেবের বয়স যখন ৩৮ তখন তিনি নরওয়ে – জাপান আর বাংলাদেশের জগৎবিখ্যাত সব ব্যক্তি আর প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে তাঁর স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান গড়ে ফেললেন। কাদির সাহেবের সে প্রতিষ্ঠান তৃতীয় বিশ্বের একটি নতজানু অর্থনীতির দেশের অর্থনীতির মোড় আমূল ঘুরিয়ে দিলো। কাদির সাহেব যে প্রতিষ্ঠান গড়লেন তার নাম- গ্রামীণফোন।”

এর আগে এক সময় বেশ জাকজমকভাবে নিজেদের জন্মদিন পালন করলেও গত কয়েক বছর দেখা যাচ্ছে গ্রামীনফোন অনেকটা নীরবে জন্মবার্ষিকী পার করছে। তবে এ বিষয়ে কারো কাছ থেকে কোনও উত্তর মেলেনি।