ঝিনাইদহে অসাধু ব্যবসায়ী কতৃক গুড়ে ভেজাল

 জাহিদুর রহহমান তারিক,স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ সদর, মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, হরিনাকুন্ড, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ভেজাল গুড়ে সয়লাব হয়ে গেছে। অধিক লাভের আশায় অসাধূ ব্যবসায়ীরা খেজুরের গুড়ে বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশ্রন করছে। ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন ভোক্তা সাধারন। এসব অসাধূ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম বন্ধে প্রশাসনের কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেই। গুড়ের ওজন বাড়াতে চিনি এবং চকচকে করতে হাইডোজ, ফিটকারী ও রং ব্যবহার করছে। আর এসব ভেজাল মিশ্রন করে মূলত গুড় বিক্রি করছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে।

অসাধূ ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পুরাতন গুড় ক্রয় করে বাড়ীতে গোপনে তার সাথে চিনি মিশিয়ে ভালো করে জ¦াল দিয়ে দানা সমৃৃদ্ধ ভেজাল গুড় তৈরী করছে। ঝিনাইদহ শহর এবং আশে পাশের গুড় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভেজাল গুড় তৈরীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে। চিনির চেয়ে গুড়ের বাজার মূল্য বেশী থাকায় অধিক লাভের আশায় অসাধূ ব্যবসায়ী চক্রটি ভেজাল গুড় তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এখন প্রায় শীতের সমাপ্তি তাই ঝিনাইদহ জেলার সবর্ত্র চলছে পিঠা পুলি খাওয়ার উৎসব। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভেজাল গুড় তৈরীর চক্রটি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এসব ভেজাল গুড় বিক্রি হচ্ছে ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার গুলোতে।

চিকিৎসকরা জানান, ভেজাল এ গুড় মানব দেহের জন্য অনেক ক্ষতি কারক। এতে কলেরা, ডায়রিয়া, হজম শক্তি হ্রাসসহ পেটের পিড়া দেখা দিতে পারে। তাছাড়া ভেজাল গুড়ের তৈরী খাবার খেলে কিডনী ও লিভারে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভেজাল গুড় তৈরী কারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল। এসব দেখার জন্য সরকারি ভাবে স্যানেটারি অফিসার রয়েছে কিন্তু তারা সব কিছু জানার পর ও কোন কিছু আমলে নেয় না। ফলে অসাধু ব্যবসায়িরা সব কিছু থেকে প্রতিনিয়ত পার পেয়ে যাচ্ছে।