• এইচএসসির পরীক্ষার খাতা দেখছে শিক্ষার্থীরা!
23 May 2017 9:15 am
Logo

প্রচ্ছদ »  খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা

ঢাকানিউজ24 ডেস্ক | আপডেট: 5:32 May 18, 2017

খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা

খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা

নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ব্যাংকিং খাতে সুদ অনেকখানি কমেছে। খেলাপি গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে পাচ্ছেন সহজ শর্তে ঋণ পুনঃতফসিল, ঋণের বাড়তি মেয়াদের সুযোগ। তবে এসব সুবিধা পাওয়ার পরও কমছে না খেলাপি ঋণ। গত তিন মাসে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার ২৩৭ কোটি টাকা।

মার্চ শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। যা বিতরণ হওয়া ঋণের ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে ছিল ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য নীতিমালার আলোকে ২০১৩ সাল থেকে ব্যাংকগুলোকে নতুন পদ্ধতিতে ঋণ শ্রেণিকরণ করতে হচ্ছে। তবে নির্বাচনের কারণে ওই বছর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ছিল। ফলে খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ ও চাপের পরিপ্রেক্ষিতে সহজ শর্তে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ সুবিধা নিয়ে গত বছর পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ বিভিন্ন কারণে বেকায়দায় পড়া বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ সুবিধা নিয়ে ১৫ হাজার ২১৮ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন করেছে। বিশেষ সুবিধায় পুনঃতফসিল করা এসব ঋণের একটি অংশ আবার খেলাপিতে পরিণত হচ্ছে। ফলে বাড়ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ।

খেলাপি ঋণ বেশি বেড়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে। মার্চ শেষে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বরে ছিল ২৩ হাজার ৫৭ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ৩১ হাজার ২৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩৫ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা হয়েছে। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকে আগের মতোই খেলাপি ঋণ রয়েছে ৫ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা। তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা থেকে কমে ২ হাজার ২৮২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক হলেও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরছে না। জ্বালানি সংকটে উদ্যোক্তারা নতুন করে বিনিয়োগে আসছেন না। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেকেই শিল্পকারখানা বন্ধ করে দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন ব্যাংকের ঋণ বিতরণ বাড়ছে না, অন্যদিকে আগে বিতরণ হওয়া ঋণের টাকাও ফেরত পাচ্ছে না ব্যাংক। আর বিশেষ সুবিধায় ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা কিছুটা কাজে লাগলেও সামগ্রিকভাবে তা খেলাপি ঋণ কমাতে পারছে না বলে জানান তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী কৌশলে ব্যাংকের অর্থ হাতিয়ে নেবেন, যা আর ফেরত পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, ঋণ শ্রেণিকরণের (খেলাপী) তিনটি পর্যায় রয়েছে। তা হলো নিম্নমান, সন্দেহজনক এবং মন্দ বা ক্ষতি। এই তিনটি পর্যায় বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকগুলোকে নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণ করতে হয়। ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ নিম্নমানের ঋণের বিপরীতে ২০ শতাংশ প্রভিশন, ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে হলে সন্দেহজনক ঋণ, যার বিপরীতে ৫০ শতাংশ প্রভিশন এবং ৯ মাসের বেশি হলে তাকে মন্দ বা ক্ষতি মানে বিবেচিত হয়, এর বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রাখতে হয়।

আর্কাইভ
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts