• গোপালগঞ্জে হিরু হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি
25 May 2017 8:17 pm
Logo

প্রচ্ছদ »  ফুল চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন

ঢাকানিউজ24 ডেস্ক | আপডেট: 5:06 May 10, 2017

ফুল চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন

ফুল চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন

নিউজ ডেস্ক:  সোনাতলা উপজেলায় ফুল চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন শতাধিক যুবক। কৃষি চাষাবাদের সঙ্গে ফুল চাষ করেই এখন তাদের সংসার চলছে।

সোনাতলা উপজেলা যমুনা ও বাঙালি নদীর তীরে অবস্থিত। প্রতি বছর নদী ভাঙছেই। নদী যেমন ভাঙে, ঠিক তেমনি বাড়ে সর্বস্বান্ত মানুষের সংখ্যা। এই মানুষগুলো নিজেদের টিকিয়ে রাখতে দিন দিন জড়িয়ে পড়ছে কৃষি চাষাবাদের সঙ্গে। অনেকেই কৃষি জমিতে করেছেন ফুল চাষ। উপজেলার কামারপাড়া, চামুরপাড়া, সুজায়েতপুর, রাখালগাছি, বড়বালুয়া গ্রামে ব্যাপক হারে ফুল চাষ হচ্ছে।

সোনাতলা উপজেলার চমুরপাড়া গ্রামের মোন্তেজার রহমান জানান, ফুল চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। এ কারণে ফুল চাষ করা হচ্ছে। ৫০ শতক জমিতে এবার ফুলের চাষ করেছেন তিনি। ওই জমি থেকে এবার প্রায় আড়াই লাখ টাকা আয় হবে বলে বলে আশা করছেন তিনি। একই গ্রামের নূরে আলম শিলু তার ২০ শতক জমিতে গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা ও গাঁদা ফুলের চাষ করেছেন।

একইভাবে সুজায়েতপুর গ্রামের শাকিলুজ্জামান তার ৩০ শতক জমিতে গত কয়েক বছর ধরে ফুল চাষের আয় দিয়ে নিজের সংসার পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া বামুনিয়া ও নগরপাড়ার অনেক কৃষক ও বেকার যুবক ফুল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। কৃষি বিভাগ ও কৃষি কর্মকর্তারা তাদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা ও গাঁদা ফুলের চাষ বেশি করছেন। আবার কিছু কিছু এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ফুল বিক্রেতারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকে ভ্যানযোগে ফুলের চারা ও ফুল বিক্রি করেন।

সোনাতলা উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের তুহিন মিয়া (২৫) সুখানপুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটে নিয়মিত ফুল বিক্রি করেন। তুহিন জানান, তাদের অভাবী সংসার। ১১ বছর আগে তার পিতার অকাল মৃত্যু ঘটে। সেই থেকে সংসারের হাল ধরেন তিনি। পরিবারে মা ও ছোট দুই বোন। জেসমিন ও জনি। ওরা দুইজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। বাড়ির ২-৩ শতক জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই তাদের। এখন সারা বছর ফুল বিক্রি করেই সংসার চালান তিনি।

সোনাতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালাহ উদ্দিন সরদার জানান, উপজেলায় ফুলচাষির সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ হয়ে থাকে। কৃষি অফিস থেকে ফুলচাষিদের বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। কৃষক ফুলের বীজ বপনের তিন মাসের মধ্যে ফুল বিক্রি করতে পারেন। ফুল চাষে উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাই দিন দিন কৃষকরা অন্য ফসলের চেয়ে ফুল চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। উপজেলার ৫টি গ্রামে ব্যাপক আকারে ফুল চাষ হয়ে থাকে। ওই ৫ গ্রামের দেখাদেখি অন্যান্য গ্রামেও ফুলচাষিরা আগ্রহী হয়ে উঠছে।

আর্কাইভ
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts