• এইচএসসির পরীক্ষার খাতা দেখছে শিক্ষার্থীরা!
23 May 2017 9:09 am
Logo

প্রচ্ছদ »  মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, নয়তো জেল: দুদক চেয়ারম্যান

ঢাকানিউজ24 ডেস্ক | আপডেট: 9:09 May 8, 2017

মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, নয়তো জেল: দুদক চেয়ারম্যান

মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, নয়তো জেল: দুদক চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক:  মাদক ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, হয় মাদক ব্যবসা ছাড়বেন, না হয় জেলে যাবেন। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দুদক অ্যাকশনে যাবে জানিয়ে এক মাসের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে মাদক ব্যবসায়ীদের সঠিক তালিকা করে দুদকে জমা দিতে বলেন তিনি।

রোববার সকালে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে ‘মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে দুদক চেয়ারম্যান এ কথা বলেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি) ওই সেমিনারের আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাটির ওপর ক্ষোভও ঝাড়েন।

তিনি বলেন, গত জুনে ডিএনসি থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা চেয়েছিলাম। সেই তালিকার ১৭ বড় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে দেখা যায় তাদের ঠিকানাই ভুয়া। তবে দুদকের কাছে ৩৬৫ জনের তালিকা রয়েছে। তা ধরে অভিযান চলবে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কারা মাদক ব্যবসা করে তা ডিএনসি জানে না? মাদকদ্রব্য নিয়šúণ অধিদফতরই কি তাহলে নিয়ন্ত্রণহীন?

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, অধিদফতরকে কিছু উদাহরণ সৃষ্টি করতে হবে। প্রজন্মকে বাঁচাতে হবে। না হলে যে ১১টি দেশ ভবিষ্যতে বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা থেকে বাংলাদেশকে ছিটকে পড়তে হবে। তাই ফিলিপাইনের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির আগেই তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের ভালো হওয়ার আহ্বান জানান।

মাদক নির্মূল দুদকের কাজ নয় জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস একই সূত্রে গাঁথা। গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, অবৈধ মাদকদ্রব্য আমদানিতে প্রতিবছর ১০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। এজন্যই মাদক নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ দুটি কারাগার পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, মাদক বাহকদের ৮০ ভাগই নারী।

মাদক নির্মূলে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ইয়াবার রুটগুলো বন্ধ করতে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে দেশটির প্রতিনিধিরা একেক সময়ে একেক কথা বলেন। মিয়ানমার সরকারেরই কেউ কেউ সীমান্তে ইয়াবা কারখানা তৈরিতে সহায়তা করে থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, তালিকা তৈরিতে এক মাস সময় দিয়েছি। আমি যখন ধরেছি, শেষ করব। তখন উপস্থিত একজন চিৎকার করে বলেন, ‘বদিকে (টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বদি) ধরেন, বদিকে ধরেন’। দুদক চেয়ারম্যান তাকে নিবৃত্ত করে বলেন, এভাবে কারও নাম বলা উচিত নয়। মাদক নির্মূলে আপনাদের সহায়তা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে প্রবন্ধে বলা হয়, দেশে সাড়ে তিন লাখ মানুষ মাদক ব্যবসায় জড়িত, যাদের ১৫ ভাগই উচ্চশিক্ষিত। সারাদেশে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার মাদক কেনাবেচা হয়। মাদকাসক্তের সংখ্যা অন্তত ৫০ থেকে ৭০ লাখ। তাদের অন্তত ৪৩ ভাগই নারী। তিনি তথ্য দিয়ে বলেন, সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া ইয়াবার ৮৫ ভাগই ভেজাল।

সভাপতির বক্তব্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক সালাহউদ্দিন মাহমুদ সংস্থার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। সেমিনারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র, মসজিদের ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোর প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

 

আর্কাইভ
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts
Dec0 Posts
Jan0 Posts
Feb0 Posts
Mar0 Posts
Apr0 Posts
May0 Posts
Jun0 Posts
Jul0 Posts
Aug0 Posts
Sep0 Posts
Oct0 Posts
Nov0 Posts