মাদানী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে

মাদানী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে
মাদানী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে

নিউজ ডেস্ক : হেফাজতের সেই আলোচিত বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার গাজীপুরের গাছা থানায় সকালে র‌্যাবের নায়েক সুবেদার আবদুল খালেক বাদী হয়ে এই মামলা করেন।

এতথ্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইলতুৎ মিশ জানিয়েছেন।

মামলার পর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলামের আদালতে তাকে হাজির করা হয়। এসময় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত বুধবার দুপুরে নেত্রকোনা থেকে র‌্যাবের একটি দল তাকে আটক করে। ওই সময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি জানান।

২৫ মার্চ রাজধানীর শাপলা চত্বরে মোদিবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল থেকে এই বক্তাকে আটক করেছিল মতিঝিল থানা পুলিশ। তবে কয়েক ঘণ্টা পরেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

একটি সূত্র জানায়, রফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার ফোনে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে। আসমা বেগম নামের এক নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন। তবে ওই নারীর সঙ্গে রফিকুলের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়নি। বিয়ে নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে।

রফিকুল জানান, প্রতিবার ওয়াজের জন্য তিনি ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। ওয়াজ করেই মাসে ৫-৬ লাখ টাকা আয় করেন তিনি। মাঝে মাঝে বিমান ও হেলিকপ্টারে গিয়ে ওয়াজ করেন। যারা তাকে নিমন্ত্রণ জানান, তারা এর খরচ বহন করেন।

নেত্রকোণায় রফিকুল ইসলামের বাড়ি । তিনি স্থানীয় স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু হলেও পরে মাদ্রাসায় ভর্তি হন ও নূরানি, হেফজ পড়েন। তারপর আট বছর কিতাবখানায় পড়েন। রফিকুল মাদ্রাসার ছাত্র থাকার সময় বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ করতেন । দাওরায়ে হাদিস পড়েছেন রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসায় তিনি।

রফিকুল ইসলাম বিএনপি-জামায়াত জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অঙ্গসংগঠন যুব জমিয়তের নেত্রকোনা জেলার সহসভাপতি। এই ‘শিশু বক্তা’ নেত্রকোনার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদ্রাসার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছেন।