বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন ভালোবাসা-মমতা দিয়ে শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে : মেয়র টিটু

মো. নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলেই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আজ আমরা স্বাধীনতা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। আর স্বাধীন হয়েছি বলেই মুক্ত পরিবেশে নিজেদের বিকাশ ঘটাতে পারছি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছেন শিশুদের ভালোবাসা-মমতা দিয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন। বঙ্গবন্ধুর দীক্ষা নিয়ে আমরা শিশুদের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেয়ার জন্য নিরন্তর কাজ করছি।

শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে ১৭ মার্চ দুপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত কেক কাটা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন সিটি মেয়র।

মেয়র উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে আহবান রেখে বলেন, যাঁরা দেশের জন্য কাজ করেছেন এবং করছেন, তাঁদের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখি। শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করে সত্যের পথকে আঁকড়ে ধরে উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র ০২ মো মাহবুবর রহমান, প্যানেল মেয়র ০৩ শামীমা আক্তার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, সিটি কর্পোরেশন সচিব রাজীব সরকার, কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, ডাঃ বিশ্বজিৎ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে মসিক অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও অভিবাবকবৃদ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত রচনা, চিত্রাঙ্কণ এবং ৭ ই মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩০ জনকে বিভিন্ন ক্যাটিগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে সকালে সার্কিট হাউজে এবং জয়বাংলা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন মসিক মেয়র ইকরামুল হক টিটু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। সন্ধ্যায় জয়নুল পার্কে বর্ণিল আতশবাজির আয়োজন করা হয়। জয়নুল পার্ক, ব্রহ্মূপূত্র নদের দুতীরসহ নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা আতশবাজির বর্ণিল আলোক ছটায় উজ্জ্বল হয়ে উঠে। এসময় হাজার হাজার নারী-পুরুষ করতালি দিয়ে এই আতশবাজি উপভোগ করেন।

এছাড়াও নগর ভবনসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনসমূহ বর্ণিল আলোকসজ্জ্বার সজ্জিত করা হয়।