সৌন্দর্য্য উপভোগে তাজিংডং

সৌন্দর্য্য উপভোগে তাজিংডং
সৌন্দর্য্য উপভোগে তাজিংডং

মো: শেখ ফরিদ:  ভ্রমন নামটাই আনন্দ। ইট পাথরের শহর থেকে সবুজ গাছে ঘেরা পাহাড়ের সেৌন্দর্য কাছ থেকে দেখার লোভ সামলানো দূরূহ বৈকি।

অরন্য ঘেরা পাহাড় দেখতে আমরা ক’জন যাচ্ছি চাইলে আপনিও যেতে পারেন। খরচ সীমিত এমনিতেই রাজি! তার উপর নেত্রী আর টীম লিডারের কথা রাখতে নিমিষেই রাজি হলাম।

শুরু হলো যাত্রা প্রস্তুতি।হাতটা খুব খালি যাচ্ছিল তবু অজানা একটা শক্তি, বুকে সাহস জোগাল এই যে টাকা জোগাড় হয়ে যাবে।
দেখতে-দেখতে পূর্বের নিদ্ধারিত দিন হাজির কিন্তু পকেটের অবস্থা যথারিতি। ভাবছিলাম যাওয়া হবেনা।

নেত্রী ও টীম লিডার ফোন দিচ্ছে সব ঠিক কিনা জানতে। দুই এক জনের কাছে শেয়ার করি কিন্তু প্রাপ্তির বেলায় শুন্য। তবু বাসা থেকে রওনা হলাম প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে যদি কিছু হয়।

অবশেষে দুপুর গড়িয়ে সন্ধা অবস্থা পূর্বের ন্যায়। যেতে পারবোনা ভেবে মনের অবস্তা মন্দের ভালো। সিদ্ধান্ত নিলাম টীম লিডারকে একবার বলে দেখি।লজ্জার মাথা ঢেকে পটাপট বলে দিলাম। টীম লিডার রাজি হলেন। মন্দ ভাবটা মূহুতেই দুর হলো।

ফকিরেরপুল থেকে গাড়ি ছাড়বে রাত ১১টা ৩০মিনিটে। সবাই উপস্থিত হলাম গাড়ি ছাড়ার কিছু আগে শ্যামলী বাস কাউন্টারে।তবে বেশি সময় বসে থাকতে হলোনা। গাড়ি চলে আসলো। যথাযথ সিটে বসা হলো। গাড়ি ছাড়লো বান্দরবানের উদ্দেশ্যে। মনে স্বপ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জয় করবো সরকার ঘোষিত সর্বোচ্চ পাহাড় তাজিংডং।

আমাদের টিমে চার জন সাংবাদিক আমি চার জনের একজন। গাড়ি চলছে চোখে ঘুম নেই নিজেদের মাধ্যে কথা হচ্ছিল। তবে নেত্রীর বান্ধবী শুধু ঘুমাচ্ছিলেন। দেখতে দেখতে রাত দুইটা, গাড়ি থামলো বিশ মিনিটের যাত্রা বিরতিতে, কুমিল্লা হোটেল নুরজাহানে। মুখ হাত ধুয়ে খাবার সেরে নিলাম ঝটপট। আবার গাড়িতে।

গাড়িতে চেপে বসতেই ঘুম-ঘুম লাগছিল। চোখ বদ্ধ করে গাড়ির সিটে বসে রইলাম। কখন ঘুমিয়ে যাই বা কতটা সময় ঘুমিয়েছি তা বলতে পারবো না। হঠাৎ গাড়ির হুইছেলে ঘুম ভাঙ্গে। চোখ মেলতেই দেখি সকাল হয়েছে। ঠিক কিছু মূহুর্ত পরেই পাখির কিচির মিচির শব্দে ভাল লাগছিল। তবে যত দুর দেখা যাচ্ছে আকাশে মেঘ জমেছে মনে হচ্ছিল।

কিন্তু গাড়ি বান্দরবান পাহাড়ে উঠতেই বুঝতে আর বাকী রইলনা মেঘ নয় পাহাড়। পনের বিশ মিনিট ব্যাবধানে গাড়ি এসে থামলো বান্দরবান বাসষ্ট্যান্ডে। সময় সকাল সাতটা বেজে ত্রিশ কিংবা আটটা। ঘুম-ঘুম আর রাত জাগা ক্লান্তির অনুভুতি কেমন তা দুরপাল্লার ভ্রমন করে থাকলে জানার কথা।

বাস স্টেশন সংলগ্ন হোটেল হিল ভিউতে কিছুক্ষনের জন্য বিশ্রাম এবং মুখ হাত ধোয়া ও সকালের যাবতীয় কাজ সেরে, নয়টায় জনপতি দুইশ টাকা হারে, চান্দের গাড়ি করে রওনা হলাম। পাহাড়ি উচু নিচু আকাবাকা পথ দিয়ে, থানছির উদ্দেশ্য।

টীম লিডার আগেই বলে দিয়ে ছিল প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য। মিলন ছড়ি পুলিশ চেকপোস্ট ওয়াইনজংশন আর্মি ক্যাম্পে দেখাতে হয়। তবে কেন জানি আমার আর টীম লিডারেরটা দেখানোর পর পার পেয়ে যাই। চান্দের গাড়ির ড্রাইভার আর্মির চোখ ফাকি দিয়ে চম্পট। তবে বলে রাখি এমনটি করা ঠিক না। যা হোক সেৌন্দর্য উপভোগ করতে-করতে পৌছালাম চিম্বুক পাহাড়ের চুড়ায়।

গাড়ি থামলো চিম্বুকে চিকেন খিচুড়ি খেয়ে নিলাম। তবে মজার বিষয় হলো পাহাড়ি মেয়েরা দৃষ্টিনন্দন সাজে সেজে দল বেধে ঘুড়তে বেড়িয়েছে। প্রকৃতির উপভোগ্য সেৌন্দর্য, আর পাহাড়ি মেয়েদের সাজ, অন্যরকম ভালো লাগা, মনে হচ্ছিল এযেন এক স্বপ্ন।

চিম্বুকের চুড়ায় স্থানীয় উপজাতীরা পাহাড়ি ফলের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। আগত দর্শনার্থীদের জন্য। তবে আমাদের নেত্রী একটি কাঠাল হাতে তুলে নিলেন। শুরু হলো ছবি তোলা। গাছের ছায়ায নয়নাবিরাম দৃশ্য আর উচ্চু থেকে পাদদেশে তাকালে গা শিরশির করে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সিংঙ্গের মাধ্যে একটি চিম্বুক।

চান্দের গাড়িতে আনন্দ উল্লাস স্ব-স্ব কণ্ঠে গান, এযেন অন্য রকম প্রাকৃতিক আন্দলোক । সৌন্দর্য্য অবলোকনে পাহাড়ি উচুনিচু পথ পাড়ি দিয়ে থানছি পৌছাই।

থানছি পর্য়ন্ত গাড়ি চলে। আমাদের গন্তব্য তাজিংডং। চান্দের গাড়ি থেকে নেমে ফ্রেশ হয়ে ভুড়ি বুঝ সারি। আমাদের টিমলিঢার আগে থেকেই গাইড ঠিক করে রেখেছিলেন। লিঢার অনেক করিতর্কমালোক। যাহোক আমাদের গাইড স্থানীয় উপজাতি। ছয় ঋতুর একটি হলো গাইড বেচারার নাম।

হাতে একদম সময় নেই। থানছি পেৌছাই বেলা এগারটায়। আগেই বলা হয়ে ছিল আট থেকে দশ ঘন্টা পায়ে চলা পথ মাড়াতে হবে। মানে দশ ঘন্টা হাটা। পাহাড়ি অজানা অচেনা রাস্তা, তার উপর নিষিদ্ধ এলাকা্। জঙ্গলতো পাহাড়ের অলংকার।

প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে হাটা শুরু হলো । গন্তব্য শেরকর পাড়া । কিছু দূরহাটতেই বাধ সাধল বিপত্তি। আনন্দ নিরানন্দ হবার উপক্রম। কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে অভ্যস্ত না থাকলে যা হয়। টিমের একজন কিছু উপর উঠেই কচ্ছপের মতো হাইতোলা শুরু করলেন। অনেক আনন্দের মাঝে একটু অসংগতি না থাকলে কি আর হয়। তবে অনেকটাই লবণ ছাড়া মিষ্টির মত।

একেতো হাটা তার উপর প্রখর রোদ। উপরের দিকে উঠলে এমনিতেই স্নায়োচাপ বেড়ে যায়। মাথার ঘাম গড়িয়ে পায়ে। আমাদের দেখে পাহাড়ি গাছ অনশন করেছে একটুও বাতাস নেই। গাইড তো শুধু তাড়াহুড়ো করছে। তার সাথে মিস ঝামেলা (নিরানন্দ) মিশে একাকার হয়ে গেছে।

কিছু দূর হাটার পর বিশ্রাম নিতে প্র্রকাণ্ড চিড়াই করা কাঠে বসি। কাঠ খণ্ডটির রং একেবারেই কালো। থানছি থেকে প্রায় বিশ বা একুশ কিলোমিটার ভিতর হবে। শুধু এক ফিট পায়ে চলা পথ। চিড়াই করা কাঠ? কোন প্রকার আধুনিকতা এমন কি বিদ্যুৎ পর্যন্ত নেই।

মাঝে মাধ্যে ভারি বোঝা মাথায় এবং ঝাকিতে করে ছোট ছোট দলে নারীদের দেখা মেলে। আমাদের তুলনায় তারা অনেক পরিশ্রমি।

পাহাড়ি নারীদের অবয়ব অনেক কিছু বলে দেয়। আর ধুমপান পাহাড়ি নারীদের জন্যই মনে হয়। গায়ের রং কালো কি সুন্দর সবাই পরিপাটি। পাহাড়িদের হাতে বোনা তাতের দুপাটি ঐতির্য়্যমণ্ডিত, তার উপর পাহাড়িদের পরিধেয় এক মাত্র বস্তু।

যাহোক একটু হাফ ছাড়তেই হেমন্তের চাপে মনের বিপরীতে হাটতে হয়েছে। ছোট বড় আট থেকে নয়টি পাহাড় পাড়ি দিতে সবার রীতিমতো সর্বাঙ্গে ব্যাথা অনুভব হচ্ছিল। বসার মত কোন জায়গা চোখে আসতেই কেউই বসতে কার্পন্য করছে না।  টিমলিডার তো চিটপটাং।

প্রতি জনের গাইড হেমন্তকে একটি প্রশ্ন আর কত দূর। উত্তরে এই আর আধঘন্টা। এদিকে সন্ধা ঘনিয়ে আসছে পথ শেষ হচ্ছেনা।ঠিক অন্ধকার ঘনিভুত হবার একটু আগে গাইডকে কড়া ভাষায় জিঞ্জাস করা হলো। সময় কতক্ষণ লাগবে কয়টি পাহাড় ডিংগাতে হবে আরো কত কি!

হেমন্ত আমাদের কে আশ্বস্ত করলো একটি পাহাড় দেখিয়ে যে, দুই ঘন্টার মত উপরের দিকে উঠলেই কষ্ঠ কমে যাবে। শুনেই মাথা ঘোরার উপক্রম। বেটা কেচুখোর বলে কি! আগেই বলেছি নিরান্দের কথা। তবে তার নামকরনে আনন্দের সাথে নি উপসর্গটি যোগ করলে বোধ হয় মন্দ হবেনা। সফর সংঙ্গীরা আমার এমন অনুভূতি ঠিক কি ভাবে নেবেন জানিনা।

কারন একেতো অলসের ঢেকি তার উপর গলায় আষাঢ়ের ডাক। সত্য বলতে বাংলা উচ্চারণে তিনি খুব ভালো। এখানেই ফুলমার্স্ক।

ধীরে ধীরে পেৌনে তিন ঘন্টা উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছি। ঘড়ির কাটায় ঠিক রাত আটটা। একটু বসা হলো পানি পান শেষে হেমন্ত বলে বসলো এখান থেকে নামতে হবে গাছের সিড়ি বেয়ে। এবারতো চোখ ছানাবরা অন্ধকারে টর্চ লাইটের আলোতে কিভাবে নামবো, সেই ভেবে ভয় হচ্ছিল। তবে আল্লাহর কৃপায় কষ্ঠ হলেও ভালোয় ভালোয় নেমে আসি।

সূর্যের আলো নেই মিটি মিটি জোৎসনা আদ্র বাতাস। ভালো লাগাটা এমন এক স্থান দখল করলো যে প্রকাশের ভাষা খুজে পাচ্ছিনা। তবু ভালো মন্দে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হলো। শেরকর পাড়ার কাছা কাছি আসতেই মনে হচ্ছিল মূহুর্তেই পেৌছাবো, উচু থেকে এত কাছে দেখাছিল। অবশেষে এক ঘন্টা হাটতে হলো।

শেরকর পাড়া পেৌছানোর ঠিক আগ মূহুর্তে টিমলিঢার হরিণ হরিণ বলে চিৎকার করতে শুরু করলেন। দূর্ভাগ্য আমি দেখতে পাইনি। তাকাতেই দেখি বন্য গরু। অন্যরা দেখেছে কিনা জানিনা।

ভালো মন্দ চড়াই উতরাই পেড়িয়ে হাটু পর্যন্ত ধুলা বালি আর ঘর্মাক্ত শরীর মূহুর্তে কাল্ত হয়ে পরে। শেরকর পাড়া ঢুকতেই চা পান করলাম। পাহাড় কেটে মাচাংয়ের ঘড়ের সাথে ছোট দোকান ।বাহিরে বসার জায়গা। চাপানে একটু সজিবতা ফিরে এলো।

শেরকর পাড়া একটি গ্রামের নাম। গ্রাম প্র্রধান তোম থং। আর শেরকর পাড়া নামের মানে টক জাতীয় ফল। ২৩ থেকে ২৪ টি পরিবারের বসবাস।

আমাদের থাকার জন্য নির্ধারিত ছিলো স্থানীয় লান হুন লিয়ানের পাড়ার মূল সেন্টার নামের একটি ঘরে। এটিও মাচাং ঘর। ব্যাগ রেখে ঝর্নার পানিতে গোসল সেরে নিলাম। ঢালাও বিছানা সাথে ত্রানের কম্বল।

খাবারের জন্য অন্য ঘরে যেতে হলো। এটিতে লান হুন লিয়ান থাকে। খেতে খেতে কথা হলো তার সাথে জানলাম অনেক কিছু।আলো র্ভতা,ডাল ডিম সাথে মরিচ র্ভতাও ছিলো। পেট পুড়ে খাওয়া হলো। হাড় ভাঙ্গা খাটুনি খাটার পর কাজের লোক পেট পুড় খেয়ে যে, পরম তৃপ্তির ঢেকোর তোলে তা ওইদিন আমাকে দিয়ে বোঝেছি।

অনেকেই বেশি খেতে পারেনি। মজার বিষয় হলো জুম চালের ভাত। পাহাড়িরা জুম চাষ করে এটিই তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রধান কাজ। এটি বছরে একবার করা যায়। জুম চাষ অনকে কষ্টের। প্রতি পরিবারের ৫ থেকে ৬ সদস্যের সংসারে ওদের মতে ১০০ হাড়ি ধান হলেই সারা বছর চলে।

ভ্রমন পিপাসু মানুষ এখানে আসে। আর এটি তাদের বাড়তি আয়। প্র্রতি প্লেট খাবার ১৫০ টাকা। রাত্রীযাপন ২০০ টাকা।

রাতে গভীর ঘুম হয়েছে। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে কাংখিত লক্ষ্য পেৌছানোর স্বপ্ন। শুরু হলো সমুদ্র পিষ্ট থেকে ৩৩০০ ফিট উপর উঠার পালা। দল বেধে রওনা হলাম তাজিংডেংর উদ্দেশ্য।

নতুন গাইড ওখান কার নিয়ম শেড়কর পাড়া থেকে কাউকে নিতে হবে। হেমন্ত তাকে ঠিক করে। আবার শুরু হলো পাহাড়ি পথ মাড়ানো।

আমাদের যাত্রা পথে জুম চাষের জন্য তৈরি ছোট ছো্ট পরিত্যাক্ত ঘর চোখে পড়ে। দৃষ্টিনন্দন কুড়ে ঘর আর পাহাড়ি সেৌন্দর্য্য থেকে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল পাহাড়ে।

আরকেটি লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো চাল কুমড়োর অবাধ ফলন। যততত্র ছড়িয়ে ছিটি আছে। কেউ ছুয়েও দেখনা। আমাদের লোকালয়ে তো কথাই নেই।

এবার তাজিংডেংর কাছা কাছি এসে আমাদের নিরানন্দ নামক কচ্ছপটি হঠাৎ হাতির শক্তি নিয়ে এগিয়ে গেলেন আমাদের টিমের সবার আগে তাজিংডং জয় করলেন তিনিই। টিমলিঢার যদিও দাবি করে তিনি। আমি উঠতে সাহস পাচ্ছিলাম না তাই সবার পরে জয়ের আসা পূরণ হয়।

শুরু হলো ছবি তোলা। গ্রুপ ছবি একক ছবি। জয়ের নেশা মানুষ কে পেয়ে বসলে যা হয়। অরন্য থেকে আজ কের এই আধুনিক সভ্যতা জয়ের নেশার ফসল বৈকি।

জন পতি ৬০০০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। থানছি থেকে শেরকর পাড়ার উদ্দেশ্য রওনা হবার কিছু সময় পর তাজিংডং জয় করে ফিরে আসা কয়েকটি টিমের সংঙ্গে পথে কথা হয়। তাদের কে দেখে মনে হয়নি এতো কষ্ট তারা করেছে। আমাদের কে আরো উৎসাহিত করেছে। তবে হাতের কাছে পেলে আচ্ছা মতো আদর আপায়ন করতে ছাড়বোনা।

তাজিংডং চূড়ায় আগে যারা জয় করেছে তাদের রেখে যাওয়া জাতীয় পতাকা শরীরে জড়িয়ে ছবি তুলি। আমাদের টিমলিঢার তার টুরিষ্ট হেভেন বাংলাদেশ নামে একটি এজেন্সী আছে। তার সুবাদে স্মৃতিচারণ মূলক কথা এজেন্সীর ভেনারে লিখে আসতে সক্ষম হয়েছি।

সুন্দর মানুষকে গ্রাস করে সহজেই। আর শত কষ্টের পর একটু আয়েশে থাকতে পারলে সব ভুলে নতুন করে যাত্রা শুরু করে নবযাত্রা। তবে ভ্রমনে অবারিত আনন্দ চাইলে আপনি ঘুড়ে আসতে পারেন সর্বোচ্চ পাহাড় তাজিংডং। শুভকামনা সবার জন্য।