গবেষকদের মাধ্যমে দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে: প্রতিমন্ত্রী

গবেষকদের মাধ্যমে দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে: প্রতিমন্ত্রী
গবেষকদের মাধ্যমে দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে: প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা: গবেষকদের মাধ্যমেই দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে। গবেষকরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথকে সুগম করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলাল।

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর বাংলা মোটরের উন্নয়ন সমন্বয় অডিটোরিয়াম রুমে ড. আতিউর রহমান রচিত ‘ওরে মন, হবেই হবে: বঙ্গবন্ধু ও সমকালীন বাংলাদেশ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন, দেশে গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোন প্রকার অর্থ প্রদান করা হতো না। যদিও অর্থ বরাদ্দ দেয়া হতো অনেকটা না দেওয়ার মতো। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গবেষণা প্রতিষ্ঠান গুলোকে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর বরাদ্দ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকার সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনীতি সক্ষমতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।

বিগত দিনের ইলেকট্রিসিটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অনেক সহায়তা করেছে ইলেকট্রিসিটি। আগে ইলেকট্রিসিটি কোন অবস্থা ছিল আর বর্তমানে কোন অবস্থায় আছে আপনারা জানেন। এখন গ্রাম-গঞ্জের ইলেকট্রিসিটি পৌঁছে গেছে, এ কারণে ছোটখাটো কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ছোটখাটো ফ্যাক্টরী ও ইন্ডাস্ট্রি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আগে আমাদের মা-বোনেরা অনেক কষ্ট করে ঢেঁকিতে ধান বাঁধছেন। এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইলেকট্রিসিটি দিয়ে মেশিনের মাধ্যমে ধান বাঁধা হয়। যারা মেশিনের মাধ্যমে ধান বেঁধে দিয়ে আসছেন তারা টাকা উপার্জন করছেন। অন্যদিকে কৃষকের সময় ও বেঁচে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের নীতিনির্ধারকরা কাজ করে যাচ্ছেন বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে এটা আমাদের বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর, উন্নয়ন সমন্বয় চেয়ারম্যান ড. আতিউর রহমান, সমাজতাত্ত্বিক ও গবেষক খন্দকার সাখাওয়াত আলী, বাংলাপ্রকাশ কনসালটেন্ট রহিম শাহ, সোনালী ব্যাংক পরিচালক ও এক্সপার্টস একাডেমি এমডি ইশতিয়াক চৌধুরী প্রমুখ।

ঢাকানিউজ২৪.কম