মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর হাতে আটক প্রেসিডেন্ট ও সু চি

অং সান সুকি
অং সান সুকি

নিউজ ডেস্ক: আবারো মিয়ানমারে আসছে পুরো সামরিক শাসন। তারই ইঙ্গিত দিলো সোমবার সকালে বর্তমান শাসকদের গৃহবন্দি করে রাখার মাধ্যমে। দেশি বিদেশি গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে সোমবার ভোরে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির নেত্রী অং সান সু চি সহ , রাষ্ট্রপতিকে আটক করেছে। আটক করা হয়েছে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষ নেতাদের।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী মনে করে গণতান্ত্রিক সরকার গড়তে যে নির্বাচন হয়েছিল, তাতে ছিল ব্যাপক কারচুপি। যে কারণে নির্বাচনে হেরে গিয়েছিল সামরিক বাহিনীর প্রার্থীরা। এ কারণে বর্তমান শাসক দল তাদের কাছে বৈধ কোনো কর্তৃপক্ষ নয়।

এনএলডি মুখপাত্র মিউ নিওট বর্তমান প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও সুকির আটক থাকার কথা নিশ্চিত করে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে। তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহবান জানান। আইন অনুসারে এই কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

এদিকে সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বিবৃতি আসেনি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা নিতে যাচ্ছে, তা গত শনিবার সামরিক বাহিনীর এক বক্তব্য থেকে পরিষ্কার হয়। সেদিন তারা সংবিধান সমুন্নত রাখার কথা বলেছিল। বর্তমান শাসক দলকে উৎখাতের হুমকি দিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, সামরিক বাহিনী গত নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনেছিল। মিয়ানমারের নির্বাচন কমিশন সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছিল।

সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় না থাকলেও মিয়ানমারে গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতা রয়ে গেছে সামরিক বাহিনী দখলে। দেশটির প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মত জায়গায় সামরিক বাহিনী কর্তৃত্ব বহাল ছিল। যা এখনো আছে। পট পরিবর্তনে এতে কোনো প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে না বিশেষজ্ঞ মহল।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম/এসডি