প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া শিশুর হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে গেছে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া শিশুর হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে গেছে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া শিশুর হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে গেছে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন,প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিকীকরণ, উপবৃত্তি প্রদান ও বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ করার ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এনরোলমেন্ট বা অন্তর্ভুক্তি প্রায় শতভাগে উন্নীত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে যথাসময়ে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দেয়াতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে গেছে। এমনকি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নিকট পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের এনরোলমেন্ট হার বেশি। মেয়েদের ক্ষেত্রে শতকরা ১০০ ভাগ আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ৯৯ দশমিক ৭ ভাগ। আর এসব সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ, বলিষ্ঠ, দূরদর্শী ও সময়োপযোগী নেতৃত্বের কারণে।

প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে আরটিভি আয়োজিত ‘আরটিভি এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক ২০২০’ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমান।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আগামী প্রজন্মের পুষ্টির চাহিদা পূরণের মাধ্যমে সঠিকভাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মনিমিক্স কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তারা কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের একার পক্ষে সবকিছুর সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বেসরকারি উদ্যোক্তা ও সংগঠনের ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দেশ যত উন্নত হবে, সেখানে বেসরকারি উদ্যোক্তা ও সুশীল সমাজের ভূমিকা তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আরটিভির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন ও সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি) এর চিফ অভ্ প্রোগ্রাম (অপারেশন) তসলিম উদ্দিন খান।

উল্লেখ্য, এবার পাঁচজন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে আরটিভি এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক- ২০২০ প্রদান করা হয়েছে। যাদের পদক প্রদান করা হয়েছে তারা হচ্ছেন শিক্ষা বিস্তারে এক টাকার মাস্টার/শিক্ষক খ্যাত ‘লুৎফর রহমান’, শিশুদের নোবেল খ্যাত ‘আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার’ প্রাপ্ত দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ‘সাদাত রহমান’, বিরসা মুন্ডা প্রভাতী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ‘আশিকুজ্জামান আশিক’, নড়াইলে অ্যাথলেট তৈরির কারিগর ‘দিলীপ চক্রবর্তী’, অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তিদের কল্যাণ ও সুরক্ষায় নিবেদিত প্রাণ ‘সৈয়দা মুনিরা ইসলাম’, এবং ‘বুলবুল ললিতকলা একাডেমী’ (বাফা)।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে ‘Anjelica presents Wedding Festival Title Sponsored by Hotel Le Meridien’ এর উদ্বোধন করেন।