ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও সুচির আলোচনায় রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ

নিউজ ডেস্ক:   রোহিঙ্গা ইস্যুটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন মিয়ানমারের নেতা সুচির সাথে আলোচনায় উঠে এসেছে। শুক্রবার টেলিফোনে কথোপকথনের এক পর্যায়ে সুচিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী  মিয়ানমারের সংকটসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের খবরে বলা হয়, সদ্য সাধারণ নির্বাচনে সুচিকে তার জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বরিস আলোচনা শুরু করেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনটি মিয়ানমারের গণতন্ত্রের পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আমরা মনে করছি। করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় দেশগুলো কীভাবে এক সাথে কাজ করতে পারে তা নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করেন।

আগামী বছর জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজক দেশ যুক্তরাজ্য জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্বের বিষয়ে মিয়ানমারের সাথে একমত হন।

বিস্তৃত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি এবং আসিয়ানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে পুনর্ব্যক্ত করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মিয়ানমারে বিশেষত দেশটির রাখাইন এবং চিন রাজ্যে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং বেসামরিক লোকেরা ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কবলে পড়ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাজ্য অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকের রায় মানতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে; যদিও রোহিঙ্গারা এখনও তাদের মৌলিক অধিকার এবং মর্যাদা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। এক লাখ ২৮ হাজার রোহিঙ্গা এখনও তাদের নিজের দেশে শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং তাদের অবাধে চলাফেরা করার এমনকি চিকিৎসা করারও সুযোগ নেই।

যুক্তরাজ্য বিবৃতিতে বলেছে যে, মিয়ানমারের সামরিক ও জাতিগত সশস্ত্র উভয় গ্রুপের পক্ষেই সংঘাতময় অঞ্চলে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন, কারাগারে মৃত্যু, গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া, যৌন সহিংসতা এবং ক্লিয়ারেন্স অপারেশন চালানোর খবর পাওয়া গেছে।