উন্নত দেশ গড়ার জন্য উন্নত মানুষ প্রয়োজন

নিউজ ডেস্ক : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্লূ ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দেশে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবল তৈরি করার কোনো বিকল্প নেই। আজ বুধবার ( ২১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষ থেকে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফল ২০২০ সেমিস্টারের ভার্চুয়াল ওরিয়েন্টশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের সমুদ্র অর্থনীতিতে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল এবং প্রযুক্তি না থাকায় আমরা সেই বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারছি না। তথ্য ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়টিতে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।

বাংলাদেশ যেমন সম্ভাবনার দেশ ঠিক তেমনি সম্ভাবনাময় এদেশের তরুণ তরুণীরা। নতুন প্রজন্মের উন্নতি মানেই দেশের সার্বিক উন্নতি। তাই হতাশ না হয়ে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগানোর জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান মন্ত্রী।

তিনি জানান, একা কখনো ভালো থাকা যায় না। সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্রসহ অনেক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে দেশ এখন একটা মর্যাদাপূর্ণ জায়গায় এসেছে। বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত এবং উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে সাথে নিয়ে সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, উন্নত দেশ গড়ার জন্য আমাদের উন্নত মানুষ প্রয়োজন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা সারাবিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের অবস্থান করে নিয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে সময়ের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে পাঠদানের বিষয় নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, অন্যান্য সদস্য এবং শিক্ষকসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ যুক্ত ছিলেন।