প্রধানমন্ত্রীর সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন ছাড়া পথ নেই: ডা. জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক:    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‌‘করোনাভাইরাস, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণে সারাদেশ ভয়ানকভাবে অসুস্থ। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই এই রোগের চিকিৎসা। আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে মধ্যবর্তী নির্বাচন ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে আর কোনো পথ নেই।’

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত ধর্ষণবিরোধী এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি। নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সংগ্রামী দল।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি দিয়েও ধর্ষণ থামবে না। সুশাসনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেই কেবল এ সমস্যার সমাধান করা যাবে। যতদিন পর্যন্ত গণতন্ত্র না আসবে, মধ্যবর্তী নির্বাচন না আসবে, জনগণকে নিয়ে সবাই মিলে একত্রিতভাবে প্রতিদিন আন্দোলনে থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘ভয় কেন পান? একটা মধ্যবর্তী নির্বাচন দিয়ে দেখুন না। নির্বাচনে আসুন, গণতন্ত্র ফেরত দিন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়াই এই রোগের চিকিৎসা। আপনি সামগ্রিক পরিবর্তন আনেন। একটা কমিশন করে সবাইকে ডাকুন। আপনি একা কিছুই করতে পারবেন না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির ব্যাপকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার চুরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে দেশ চলতে পারে না। এই ভুল পথ থেকে সরে না এলে সবার জন্য সমূহ বিপদ।

রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে নারীর সমান অধিকার ও তাদের একা চলার নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তার বিধান করতে হবে বলেও দাবি জানান এই প্রবীণ নাগরিক।

সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন হানিফের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে কবি আবদুল হাই শিকদার, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।