গণফোরামের প্রতিবাদী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক:    আজ ১৭ই অক্টোবর শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নারী শিশু নির্যাতন,ধর্ষণ, বলাৎকার ও মাদকের বিরুদ্ধে গণফোরামের প্রতিবাদী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণফোরামের জাতীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা মোস্তফা মহসিন মন্টু। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ, নির্বাহী সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এড. জগলুল হায়দার আফ্রিক, মেজর (অবঃ) আসাদুজ্জামান বীরবিক্রম, খান সিদ্দিকুর রহমান, আইয়ুব খান ফারুক, আতাউর রহসান, হাসিব চৌধুরী, মো. হেলাল উদ্দিন এড, লতিফুল বারী হামিম, মির্জা হাসান, নাসির হোসেন, আব্দুস সাত্তার পাঠান, এড. কাজী রফিক, বরুণ ভট্টাচার্য, এড.
মাহবুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, জান্নাতুল মাওয়া, মাহমুদ-উল্লাহ মধু, মো. সানজিদ রহমান শুভ।

জননেতা মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, দেশব্যাপী নারী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও বলাৎকার যেভাবে বেড়ে চলেছে তা দেশ, জাতি, সমাজ, পরিবারের মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে, এর জন্য দায়ী চলমান জবাবদিহিতাহীন শাসন ব্যবস্হা, মাদকের সহজলভ্যতা এবং যুবসমাজের উপর সর্বগ্রাসী ভয়াল থাবা, অবাধ কালো টাকার ছড়াছড়ি, সামাজিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার অবক্ষয়।

জনাব মন্টু দেশের চলমান নৈরাজ্য জনক অবস্হার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তি ও গণতান্ত্রিক সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি। এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্টার জন্যমুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। আজ মানুষের নিরাপত্তা নাই। রাষ্টীয় সম্পদ লুটপাটকারীরা অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লুণ্ঠনকারী, ধর্ষণকারীদের
অবিলম্বে গ্রেফতার করে দ্রত বিচার আইনে বিচার করুন। এ স্বৈরাচারী মনোভাবাপন্ন সরকার ও চলমান দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র, যুব,মহিলা, পেশাজীবীসহ সকল সচেতন নাগরিককে সোচ্চার হতে হবে এবং গণফোরামের এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান ।

এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, চলমান সংসদ ব্যার্থ। রাতের আধারে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে নির্বাচিত সাংসদরা এদেশের নির্যাতিত-নিপীড়িত মা-বোনের কান্না শুনতে পায়না। রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও প্রশাসনিক উদাসীনতা এসকল জঘণ্য অপরাধ প্রবণসংগঠিত হচ্ছে। গণমানুষের দাবির মুখে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনকারীদের বিচারের জন্য রাষ্টধপতি অধ্যাদেশ জারি করতে বাধ্য হয়েছেন। উক্ত সমাবেশটি পরিচালনা করেন রওশন ইয়াজদানী।