করোনাকালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর প্রচার কার্যক্রমে আসছে ভিন্নমাত্রা: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:  করোনাকালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর প্রচার কার্যক্রমে ভিন্নমাত্রা যোগ হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, দিনটি উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচিগুলোর অধিকাংশই করোনার কারণে এতদিন স্থগিত ছিল। তাই বাকি সময়টুকুর মধ্যে বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাস্তবসম্মতভাবে কী কী করা যায়, সে বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন উপকমিটির সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক), পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, তথ্য কমিশনার ড. আবদুল মালেক ও তথ্যসচিব কামরুন নাহার।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী বছরের ১৭ মার্চ মুজিববর্ষ শেষ হতে যাচ্ছে। আবার আগামী বছর হচ্ছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অর্থাৎ ৫০তম বার্ষিকী। এ বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে কী ধরনের কর্মসূচি পালন করা যায়, তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে।

সভায় অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এসএম হারুন অর রশীদ, বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদার, প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আকতার হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক সামিয়া হালিম, একাত্তর টেলিভিশনের মহাপরিচালক মোজ্জাম্মেল বাবু, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খানসহ উপকমিটির সদস্যরা।

এর আগে মুজিব শতবর্ষে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে অংশ নেন হাছান মাহমুদ। এ সময় সংসদ চত্বরে গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেওয়ার জন্য স্পিকারকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।