একনেকে মৌজা ও প্লট ভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প অনুমোদন

 

নিউজ ডেস্ক:  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মৌজা ও প্লট ভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পসহ মোট ৪ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে ৭৯৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৬২৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা পাওয়া যাবে ১৭২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে-বাংলা নগর এনইসি সভাকক্ষে একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।
সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প ৩টি ও সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে ১টি। মৌজা ও প্লট ভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের আওতায় সমগ্র দেশে ডিজিটাল ভূমি জোনিং এবং মৌজা ও প্লট ভিত্তিক ডাটা বেইজ প্রণয়নের মাধ্যমে ভূমির প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করে মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠু ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি সম্পদ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে ভূমি সম্পর্কিত জটিলতা যেমন দূর হবে তেমনি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ব কমে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী ভূমি সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে সারাদেশে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে ডিজিটালাইজড করারও ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মো. জাকির হোসেন আকন্দ জানান, ৩৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে জানুয়ারি ২০২০ হতে জুন ২০২৪ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এর আওতায় দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯৩টি উপজেলা এবং ৪ হাজার ৫৬২টি ইউনিয়নের ৫৬ হাজার ৩৪৮ মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডাটা বেইজ প্রণয়ন করা হবে।


এছাড়া, জোন ভিত্তিক ভূমি ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ এবং সাধারণ জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির নিমিত্ত প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।
একনেকে অনুমোদিত অন্য ৩ টি প্রকল্প হচ্ছে- বাংলাদেশ আঞ্চলিক অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন প্রকল্প-১ নির্মাণ প্রকল্প, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। ভৈরব নদ পুনঃখনন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ, চাটখিল, সেনবাগ ও সোনাইমুড়ি উপজেলার জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষ্যে খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।