দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ক্ষমা চাইলেন কিম জং

নিউজ ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা সদস্যরা গুলি করে হত্যা করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার একজন কর্মকর্তাকে। গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের কাছে একটি দ্বীপে গুলি করে হত্যা করা হয় ওই কর্মকর্তাকে। এই ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি লিখে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বময় কর্তা। লিখেছেন, ব্যাপারটা দুঃখজনক। এরকম ঘটনা এড়ানো গেলেই ভাল হতো।

সীমান্তের ওই হত্যার তদন্ত হবে বলেও চিঠিতে লিখেছেন কিম জং উন। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শু হুন এই তথ্য জানিয়েছেন। খবর বিবিসির

দক্ষিণ কোরীয় কর্মকর্তা হত্যার এই ঘটনা তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোরীয় উপদ্বীপে। জানা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত পেরিয়ে উত্তরে পালানোর চেষ্টা করছিলেন ৪৭ বছরের এক ব্যক্তি। তবে উত্তরের জলসীমায় ধরা পড়ে যান তিনি। নিজেদের সীমান্ত সেনাদের দেখামাত্রই গুলি করার অনুমতি আগেই দিয়ে রেখেছিলেন কিম জং উন। সেই মতো ধৃত ওই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে উত্তর কোরিয়ার সেনা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হৈ চৈ শুরু হয় দক্ষিণ কোরিয়ায়। প্রাথমিক ভাবে পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। পরে চিঠি লিখে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, সিউলের সংবাদমাধ্যমগুলো বলেছে, কিম জং উন এই ঘটনার তদন্ত করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দুই কোরিয়ার সীমান্তে কড়া পুলিশি প্রহরা রয়েছে। উত্তর কোরিয়ায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে গুলি করে মেরে ফেলা হয় বলে একটা কথা চালু রয়েছে।ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের এই কর্মকর্তাকে হত্যা করার আগে ২০০৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেকজন অসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছিল উত্তর কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই সন্তানের পিতা ৪৭ বছর বয়সী এই দক্ষিণ কোরিয়ান কর্মকর্তাকে সীমান্ত থেকে ৬ মাইল দূরে ইয়নপিয়ন দ্বীপের কাছে হত্যা করা হয়।দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে মুন এই হত্যাকাণ্ডকে ‘নিষ্ঠুরতা’ বলে মন্তব্য করে বলেছিলেন, এটা সহ্য করার মতো ঘটনা নয়। এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।

জেড,আই/ঢাকানিউজ২৪ডটকম।