সূচকের সঙ্গে বাড়বে-কমবে মার্জিন ঋণ

নিউজ ডেস্ক:     মার্জিন ঋণের নীতিমালা সংশোধন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের সঙ্গে সমন্বয় করে মার্জিন ঋণের নীতিমালা করেছে সংস্থাটি, যা ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে সোমবার বিএসইসির জারি করা আদেশ অনুযায়ী, মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ হার হবে ১: ১ এবং সর্বনিম্ন ১: ০.২৫।এদিকে কয়েক দিনের অস্থিরতার পর সোমবার বড় দরপতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। ডিএসইতে ৭৩ শতাংশ শেয়ার দর হারিয়েছে। এতে ডিএসইএপ সূচক প্রায় ৭৭ পয়েন্ট হারিয়ে ৫০১২ পয়েন্টে নেমেছে। সূচক পতনের হার দেড় শতাংশ। এমন বড় পতনের দিনে অবশ্য সব মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদর গড়ে সাড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

বাজার-সংশ্নিষ্টরা জানান, বিএসইসির একের পর এক বড় সিদ্ধান্তে বিভ্রান্ত অনেক বিনিয়োগকারী। বাজারে ‘জুয়াড়ি’ হিসেবে চিহ্নিত অনেক বড় বিনিয়োগকারীও সতর্ক লেনদেন করছেন। এটিকে সোমবারের দরপতনের বড় কারণ বলে মনে করছেন তারা।

মার্জিন ঋণের নীতিমালা: নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ডিএসইএপ সূচক ৪০০০ পয়েন্টের নিচে থাকলে মার্জিন ঋণের হার হবে ১:১। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীরা এক টাকা মূলধনের বিপরীতে সর্বোচ্চ এক টাকা ঋণ হিসেবে পাবেন। সূচকটি ৪০০০ থেকে ৫০০০ পয়েন্টের মধ্যে থাকলে এ হার কমে মূলধনের বিপরীতে ৭৫ শতাংশে নামবে। সূচকটি আরও বেড়ে ৫০০০ থেকে ৬০০০ পয়েন্টের মধ্যে অবস্থান করলে মার্জিন ঋণের হার কমে ৫০ শতাংশ হবে। অন্যদিকে সূচকটি ৬০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করলে তা আরও কমে ২৫ শতাংশে নামবে। অর্থাৎ গ্রাহক তার এক টাকা মূলধনে সর্বোচ্চ ২৫ পয়সা হারে ঋণ নিতে পারবেন।

নতুন নিয়মটির বিষয়ে বাজার-সংশ্নিষ্টরা বলছেন, চাঙ্গা শেয়ারবাজারের লাগাম টানতে মার্জিন ঋণ কমানো হবে। অন্যদিকে মন্দা বাজারকে টেনে তুলতে হার বাড়ানো হবে। তবে বাজার চাঙ্গা হওয়ার সময় মার্জিন ঋণের সুদহার কমে যাওয়ায় তা সমন্বয় করতে গিয়ে জটিলতার আশঙ্কা করছেন অনেকে।