সীমান্ত হত্যা বন্ধে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি

নিউজ ডেস্ক:  সীমান্তে উভয় দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা-মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামাতে যৌথ টহল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এছাড়াও সীমান্ত হত্যা বন্ধে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি আরও বেগবান করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উভয় পক্ষয় সম্মত হয়েছে।

ঢাকায় ৪ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫০তম সীমান্ত সম্মেলনে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও বিজিবি সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট স্টাফ অফিসার ছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যৌথ নদী কমিশন এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্থানার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। ভারতীয় প্রতিনিধি দলে বিএসএফ সদর দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ছিলেন।

এবারের সম্মেলনে মানবপাচার ও অবৈধ্যভাবে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে উভয়পক্ষই সম্মত হয়েছে। এছাড়াও উভয়পক্ষই বিদ্যমান পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট ও আস্থা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণে রাজি হয়েছে।