২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ২৭৪৭

 

নিউজ ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ২ হাজার ৭৪৭ জনের। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯১ জন। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালে ৩ হাজার ৭৮১ জন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে করোনা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন আরও ২ হাজার ৯১৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৩৮ জন। যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ এবং ৭ জন নারী।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনা শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯১টি করোনা শনাক্তকরণ আরটি-পিসিআর ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ৭৪টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৪ হাজার ৬৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৫৮ দশমিক ১৪ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যুবরণকারী ৩ হাজার ৭৮১ জনের মধ্যে পুরুষ ২ হাজার ৯৮৭ (৭৯ শতাংশ) ও নারী ৭৯৪ জন (২১ শতাংশ) মারা গেছেন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৪১ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১১ জন ও ষাটোর্ধ্ব ২৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট করোনায় মৃত ৪১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন, খুলনা বিভাগে সাতজন, বরিশাল বিভাগে তিনজন. রংপুর বিভাগের তিনজন ও ময়মনসিংহে একজন।

উল্লেখ্য, চীনের উহান থেকে করোনা গত ছয় মাসে বিশ্বের ২১৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে । চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

করোনায় মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।