নিবন্ধিত কমবয়সীরাও অনলাইনে এনআইডি পাবে: ইসি

নিউজ ডেস্ক :  জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার লক্ষ্যে হালনাগাদের সময় ১৬-১৭ বছর বয়সী যেসব নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের অনলাইনে এনআইডি কপি সংগ্রহের সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এনআইডি পেলেও আঠার বছর হলেই তাদেরকে ভোটার তালিকাভুক্ত করা হবে এবং ভোট দিতে পারবেন তারা।  মঙ্গলবার ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

ইসির এনআইডি উইংয়ের আইডিইএ প্রজেক্টের অফিসার ইনচার্জ (কমিউনিকেশন) স্কোয়াড্রন লিডার কাজী আশিকুজ্জামান  বলেন, “অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবার আওতায়  ভোটারযোগ্যদের পাশাপাশি ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০১৯ কার্যক্রমে ১৬ হতে ১৮ বছর বয়সী নিবন্ধিত নাগরিকরা ও জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করতে পারবেন।”

তিনি জানান, গত হালনাগাদের সময় ১৬ হতে ১৮ বছর বয়সী যারা বিভিন্ন সময় নির্বাচন অফিসে এসে নিবন্ধন করেছেন, তারাও অনলাইনে এনআইডি কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনে আবেদন করে বায়োমেট্রিক দিয়ে যারা নতুন নিবন্ধন হবেন, তারা সবাই জাতীয় পরিচয়পত্র নিতে পারবেন।

সর্বশেষ ভোটার তালিকা হালনাগাদে চার বছরের (২০০১-২০০৪ বছরের আগে যাদের জন্ম) প্রায় ৯৬ লাখ নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হয়েছে, এমন ৬৭ লাখের খসড়া প্রকাশ করে।

বাকি ৩০ লাখের মতো নাগরিক যাদের বয়স ১৬ বছর থেকে ১৮ বছরের নিচে ছিল, তাদের খসড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২০২১ ও ২০২২ সালে ভোটার উপযোগী হলেই প্রকাশ করবে ইসি।

এমন নাগরিকদের জন্য মহামারীকালে নতুন করে অনলাইন সেবার আওতায় আনা হল।

 ২৭ এপ্রিল থেকে অনলাইনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা শুরু হয়।

বিনামূলে যেভাবে এনআইডি কপি সংগ্রহ

স্কোয়াড্রন লিডার কাজী আশিকুজ্জামান জানান, ২০১৯ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদে নিবন্ধিত ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী নাগরিকরা ইসির এনআইডি ওয়েব পোর্টাল https://services.nidw.gov.bd  এ  ‘অন্যান্য তথ্য’  ক্যাপশনের এনআইডি নম্বর লিংকে ব্যক্তি ফরম নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে NID নম্বর নেবে।

 এ পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করে নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন তারা এবং ‘ডাউনলোড’ অপশন থেকে বিনামূল্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের রঙিন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

তবে এ পোর্টাল থেকে নিবন্ধিত ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী নাগরিকরা শুধু একবারই তার জাতীয় পরিচয়পত্রটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

পর্যায়ক্রমে দেশের সব ভোটারের কাছে স্মার্টকার্ড দেওয়ার কথা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি নাগরিকের হাতে স্মার্টকার্ড পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছে সংস্থাটি। আগামী ২ বছরের মধ্যে সবার কাছে  পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে বলে জানান এনআইডি উইং কর্মকর্তারা।