মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রামের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

রনজিত কুমার শীল, চট্টগ্রাম:   চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ট সন্তান। তাঁরা ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জীবনবাজি রেখে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন। দেশের ক্রান্তিলগ্নে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারীর অদৃশ্য যুদ্ধেও জয়ী হবো। বীর মুক্তিযোদ্ধারা যত বেশি দীর্ঘায়ু হবে ততই দেশের মঙ্গল হবে।

করোনাভাইরাস কখন যাবে তা কেউ জানেনা। এটার কার্যকর প্রতিষেধক ও ওষুধ তৈরীর চেষ্টা চলছে। সহাবস্থানে থেকে সচেতনতা ও সতর্কতার সাথে এ ভাইরাস মোকাবেলা করতে হবে। করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জরুরী প্রয়োজনে বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরিধানের পাশাপাশি কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত-মুখ ধূতে হবে। সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি হাঁচি-কাশি দিয়ে তিন ফুটের মধ্যে আসলে সুস্থ মানুষও করোনায় আক্রান্ত হয়ে যেতে পারে। এ ব্যাপারে মোটেই অবহেলা করা যাবেনা।

গত ১১ জুলাই শনিবার বিকেল ৫টায় নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ কার্যালয়ে মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃক বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্মরণে আয়োজিত শোক সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেনদারুল ফজল মার্কেট জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মাওলানা ফজল আহমদ।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমান্ডার সাধান চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোক সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মামুন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের অন্যতম স্বাক্ষী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল আবছার, কোতোয়ালি থানা কমান্ডার সৌরিন্দ্র নাথ সেন, চান্দগাঁও থানা কমান্ডার কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, খুলশী কমান্ডার মোঃ ইউসুফ, বন্দর কমান্ডার কামরুল আলম জতু, পাহাড়তলী কমান্ডার হাজী জাফর আহমদ, আকবরশাহ কমান্ডার সেলিম উল্লাহ, পাঁচলাইশ কমান্ডার আহামদ মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ময়নুল হোসেন, মোঃ ইউছুফ, মোঃ নূও উদ্দিন, ছালামত উল্লাহ, শম্ভু দাশ, রাখাল ঘোষ, সুরজিৎ দাশ, শহীদুল ইসলাম দুলু, ঝুন্টু দাশ, কল্যাণ কুমার সেন, গোলাম নবী, গোলাম নবী, প্রশান্ত সিংহ, শফি বি.কম, মঞ্জু মিয়া, মোঃ আলাউদ্দিন, মাঈনুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মোঃ সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি, সাহেদ মুরাদ সাকু, মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, চবি’র উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক রাসেল প্রমুখ।