পরিবার পরিকল্পনা অ্যাওয়ার্ড-ফেলোশিপ পেলেন সমকালের পারুল ও জাহিদ

নিউজ ডেস্ক:    পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ও ফেলোশিপ পেয়েছেন দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার সাজিদা ইসলাম পারুল ও সহ-সম্পাদক জাহিদুর রহমান। শনিবার অধিদফতরের আইইএম ইউনিটের এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে নির্বাচিত গণমাধ্যমকর্মীকে প্রতীকী ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ও ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ বছর পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের যুগ্ম সচিব ও পরিচালক (আইইএম) ড. আশরাফুন্নেছা নির্বাচিত সাংবাদিকদের তালিকা প্রকাশ করেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের আইইএম ইউনিটের আইইসি অপারেশনাল প্ল্যানের ২০২০ সালের পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশু ও নবজাতক স্বাস্থ্য এবং জনসংখ্যা ইস্যু বিষয়ক লেখালেখির জন্য প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক, অনলাইনের ৪০ জন সাংবাদিককে ফেলোশিপ প্রদান করা হলো। নির্বাচিত প্রত্যেকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা করে পাবেন। একই সঙ্গে সমকালের স্টাফ রিপোর্টার সাজিদা ইসলাম পারুলসহ ৬ জন গণমাধ্যমকর্মীকে মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। পুুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- দৈনিক ইনকিলাবের মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ পোস্টের সিনথিয়া কাইনাত নূর, ডেইলি স্টারের নিলীমা জাহান, গাজী টেলিভিশনের চিফ রিপোর্টার রাজু আহমেদ, এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার শারফুল আলম। অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা কর্মী ও সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানকেও পুরস্কার দেওয়া হয়।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মহামারী কভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি’। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. অশা টর্কলসন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের আইইএম ইউনিটের পরিচালক ডা. আশরাফুন্নেসা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার অনেক কম। করোনার সময়গুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাটাবেন। মাস্ক পরে বাসা থেকে বের হবেন। সামাজিক দূরত্ব তিন ফুট নয়, ছয় ফুট বজায় রাখবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে করোনার প্রভাবের কারণে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবাও কিছুটা কমেছে। করোনার কারণে মায়েদের ঘরের কাজ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশে দারিদ্র্যসীমা বেড়ে যেতে পারে। করোনা বৃদ্ধি পেলে বাল্যবিয়েও বাড়তে পারে।