পাঁচ দিনের টেস্টের পক্ষেই গাঙ্গুলী

চারদিনের টেস্টের পক্ষে নন ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী। তিনি বলেন, ‘পাঁচ দিনের টেস্টেই ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য্য। ক্রিকেটার তৈরিতে মূল ভূমিকা রাখে পাঁচদিনের টেস্ট। ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলই (আইসিসি), চার দিনের টেস্ট আয়োজনের চিন্তা করছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ব্যস্ত সূচির মধ্যে আরও বেশি ম্যাচ আয়োজন করার জন্যই চার দিনের টেস্টের পরিকল্পনা করে আইসিসি। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে দু’টি চার দিনের টেস্ট আয়োজন করেছে আইসিসি। যার একটিতে মুখোমুখি হয়েছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে, অন্যটিতে লড়েছে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড। তবে আইসিসির মূল লক্ষ্য হলো, ২০২৩ সাল থেকে শুরু হতে যাওয়া আট বছরের নতুন চক্রে চার দিনের টেস্ট বাস্তবায়ন করা। আইসিসির এই পরিকল্পনার সাথে একমত নন গাঙ্গুলী।

চার দিনের টেস্টে হবার পক্ষে নন গাঙ্গুলী। বিসিসিআই’র নির্মিত একটি ভিডিও অনুষ্ঠানে গাঙ্গুলী বলেন, ‘আমি চার দিনের টেস্টের বড় ভক্ত নই। কারণ, বেশির ভাগ ম্যাচেই তো শেষ হবে না। বর্তমানে অনেক টেস্ট পাঁচদিনেও শেষ হয় না। চার দিনের ম্যাচে চিত্র অন্যরকম হয়ে যাবে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, পাঁচ দিনের টেস্ট নিয়ে কোন দ্বিধাবোধ নেই। আমার কাছে পাঁচ দিনের টেস্টই সবচেয়ে কঠিন ও সবচেয়ে সেরা।’ চার দিনের টেস্টের পক্ষে না হলেও, দিবা-রাত্রি টেস্টের পক্ষে গাঙ্গুলী। গাঙ্গুলী বিসিসিআই’র সভাপতি হবার পরই ভারত প্রথমবারের মত দিবা-রাত্রির ম্যাচ খেলে। গেল নভেম্বরে কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারতের টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

ভারতের প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্টে ইডেন গার্ডেন্স জুড়ে ঠাসা ছিলো দর্শক। বাংলাদেশের অসহায় আত্মসমর্পনের পরও টেস্টকে উপভোগ করেছে ক্রিকেটপ্রেমিরা। ক্রিকেটপ্রেমিদের মত দিবা-রাত্রির টেস্ট উপভোগ করেছেন গাঙ্গুলী নিজেও। তাই বেশি-বেশি দিবা-রাত্রির টেস্টের পক্ষে তিনি, ‘দর্শকের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি টেস্ট সিরিজে অন্তত একটি দিবারাত্রির ম্যাচ থাকা উচিত। আমরা কলকাতায় গোলাপি টেস্ট খেলেছি। ক্রিকেটপ্রেমিরা ঐ টেস্টটি অনেক বেশি উপভোগ করেছে। সকলের কাছেই গোলাপি বলের টেস্ট উপভোগ্য।’

ঢাকানিউজ২৪.কম/চিফ রিপোর্টার : সাইফ শোভন