এক ভেন্যুতে এএফসি কাপ

নিউজ ডেস্ক:   এশিয়ার দ্বিতীয় স্তরের ক্লাব টুর্নামেন্ট এএফসি কাপ। করোনাভাইরাসের কারণে এবার টুর্নামেন্টের আয়োজনে ভিন্নতা আসছে। বাকি ম্যাচগুলো হবে একই ভেন্যুতে। এএফসি কাপে বাংলাদেশের ক্লাব বসুন্ধরা কিংস খেলছে ই-গ্রুপে।

এই গ্রুপের চারটি দলই মাত্র একটি করে ম্যাচ খেলেছে। করোনাভাইরাসের জন্য এএফসি কাপের ম্যাচগুলো আপাতত স্থগিত রয়েছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে গ্রুপপর্বের লড়াই ফের চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে এএফসির। সাধারণত আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক হয়ে থাকে। এবার বিশেষ পরিস্থিতির জন্য বাকি ম্যাচগুলো একটি ভেন্যুতে হবে। যদিও ভেন্যু নির্ধারণ হয়নি এখনও। ই-গ্রুপে বসুন্ধরা ছাড়াও রয়েছে মালদ্বীপের দুই দল টিসি স্পোর্টস ও মাজিয়া স্পোর্টস এবং ভারতের চেন্নাই সিটি এফসি।

চার ক্লাবই পরবর্তী ম্যাচগুলোর স্বাগতিক হওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছে। ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লাবগুলোকে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। স্বাগতিক হওয়ার জন্য কিছু গাইডলাইন দিয়েছে এএফসি।

স্বাগতিক দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত থাকতে হবে এবং গমনাগমনে বিধিনিষেধ থাকবে না। অনুশীলনের ভালো ব্যবস্থা থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘আমরা বসুন্ধরা কিংসকে বিষয়টি জানিয়েছি। তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করে ১৭ জুলাইয়ের আগে আমাদের জানাবে। এরপর আমরা এএফসিকে জানাব।’ চার দলেরই পাঁচটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে।

২৩ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে ম্যাচগুলো হবে। মার্চে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ঢাকায় মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসকে ৫-১ গোলে হারিয়েছিল। বসুন্ধরার আর্জেন্টাইন তারকা হার্নান বার্কোস হ্যাটট্রিক করেছিলেন। তবে বসুন্ধরার এখন বাকি ম্যাচগুলো খেলতে হবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা কোস্টারিকান তারকা দানিয়েল কলিন্দ্রেসকে ছাড়াই।

সূচি অনুযায়ী ১৯ অক্টোবর প্রত্যেকটি দলকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করানো হবে হোম ভেন্যুতে। ২৩ অক্টোবর মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব ও বসুন্ধরা কিংস এবং চেন্নাই সিটি ও টিসি স্পোর্টস, ২৬ অক্টোবর টিসি ও মাজিয়া এবং চেন্নাই সিটি ও বসুন্ধরা কিংস, ২৯ অক্টোবর টিসি ও মাজিয়া এবং চেন্নাই ও বসুন্ধরা, ১ নভেম্বর চেন্নাই সিটি ও মাজিয়া, ৪ নভেম্বর চেন্নাই সিটি ও টিসি স্পোর্টস এবং বসুন্ধরা কিংস ও মাজিয়া স্পোর্টস মুখোমুখি হবে।