ইংরেজি, গণিত শিক্ষার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং শিখার উপর গুরুত্ব দিতে হবে

নিউজ ডেস্ক:   তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সমস্যাকে সম্ভাবনায় রূপান্তর করতে চিন্তাশীল মানসিকতা সম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে ।

প্রোগ্রামিং বিশ্ব পরিবর্তনের হাতিয়ার উল্লেখ করে তিনি বলেন ইংরেজি, গণিত-সহ সাধরণ শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ছোট বেলা থেকেই প্রোগ্রামিং শিখার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জুম অনলাইনে আইসিটি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) উদ্যোগে আয়োজিত “হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা -২০২০ “এর সমাপনী ও বিজয়ীদের নাম ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনলাইন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স বিভাগের অধ্যাপক লাফিফা জামাল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১১ বছরে ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলার কারণেই করোনা মহামারির মধ্যেও ঘরে বন্দি সাড়ে ৪ কোটি শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস করতে পারছে এবং অনলাইনে হাইস্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট প্রতিযোগিতা আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন চিন্তাশীল সমস্যা সমাধানে ছোটবেলা থেকেই শিশু-কিশোরদের প্রোগ্রামিং শিখাতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল যুগের দিকে এগোতে হলে প্রয়োজন আমাদের প্রোগ্রামারদের যোগ্য করে গড়ে তোলা। আগামী দিনের চাহিদা মেটানোর জন্য, আগামী প্রজন্মের সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার জন্য এবং মেধা ও জ্ঞান ভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রোগ্রামিং শিক্ষায় ছেলেমেয়েদের উৎসাহ দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্পৃহা থেকে আমাদের ছেলেমেয়েরা প্রোগ্রামিং শিক্ষায় দক্ষ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমাদের চারপাশে যত সমস্যা আছে তার প্রযুক্তি নির্ভর সমাধানের মানসিকতা নিয়ে গড়ে উঠবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

উল্লেখ্য, অনলাইনে এনএইচএসপিসি২০২০ এর রেজিস্ট্রেশনের ঘোষণার মাত্র তিন দিনেই এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আবেদন করে ৫ হাজার ৪৭৭ শিক্ষার্থী।

দেশের সব জেলা থেকেই শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনের কুইজ ও প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এ আয়োজনে শিক্ষার্থীরা জুনিয়র ক্যাটাগরি (ষষ্ঠ-নবম শ্রেণি) এবং সিনিয়র ক্যাটাগরি (দশম-এসএসসি-দ্বাদশ শ্রেণি ও পলিটেকনিক প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী), এই দুইটি ক্যাটাগরিতে কুইজ অথবা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এছাড়া একই সময়ে আইসিটিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় আইসিটি কুইজ প্রতিযোগিতা।