‘হিরামনি’

‘হিরামনি’
আব্দুর রাজ্জাক মাকিন।

হাসপাতালে মা গিয়েছেন
আনতে স্বামীর লাশ,
হিরামনি তখন বাসায় ছিল
হলো তার সর্বনাশ।

ইজ্জত সম্ভ্রম লুটে নিয়ে তার
শেষে করেছে খুন,
হায়েনারা সাহসী হয়েছে,কারণ
সমাজে ধরেছে ঘুণ।

এমনি করিয়া নুসরাত গেল
রুপা,আসফিয়া,তনু,
বলি হলো আরো শাহিনুর,রুম্পা
নাদিয়া,তানিয়া,মিনু।
নাম না জানা কত চম্পা,চামেলী
বকুল, শিউলি, বেলী,
ধর্ষণ খুনের শিকার হয়ে তারা
অকালে যাচ্ছে চলি।
শিশু কন্যাও আজ পাচ্ছে না ছাড়
ধর্ষিতা হচ্ছে তারা,
যৌনতা কি? বুঝে ওঠার আগেই
যাচ্ছে তাহারা মারা।
এমন ঘটনা, ঘটে যে সময়
উত্তাল হয় দেশ,
বিচারের দীর্ঘ সূত্রিতায় শেষে
কেটে যায় তার রেশ।
নরপশু গুলো মরতো যদিবা
ক্রস ফায়ারে আজ,
অন্যেরাও কিন্তু থাকতো ভয়ে
হতো না এমন কাজ।
অথবা আইন থাকতো যদি
প্রকাশ্যে দেয়ার-‘ফাঁস’,
তাহলে আর দেখতে হতো না
‘হিরামনি’দের লাশ।।

*কবি:মো: আব্দুর রাজ্জাক মাকিন, দুর্গাপুর-রাজশাহী।

জেড,আই/ঢাকানিউজ২৪ডটকম।