স্বাস্হ্য কেন্দ্র, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে করোনা পরীক্ষা বুথ

লতিফুল বারী হামিম: স্বাস্হ্য কেন্দ্র, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে করোনা পরীক্ষা বুথ স্থাপন করুন । করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই রোগীর মৃত্যু হবে কথাটা ঠিক নয় । স্বাস্হ্য সচেতনতাই এ রোগের মূল প্রতিশেধক । স্বাস্হ্য বিধি মেনে ৮০ বছরের বৃদ্ধ রোগীও সুস্হ হয়েছে । করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রোধে আরো আরো বেশী সংখ্যাক নমুনা পরীক্ষা বুথ স্থাপন করুন ও মহল্লা-গ্রাম-ইউনিয়ন পর্যায়ে মানুষকে আরো সচেতন ও সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন ।

সারাদেশে স্বল্প সময়ের মধ্যে সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা স্বাস্হ্য কেন্দ্রে, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ সহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা বুথ স্থাপন করুন ও প্রান্তকি পর্যায়ের জনসাধারনকে আরো সচেতন করা জরুরী । এ কাজের স্বাস্হ্য, শিক্ষা, সমাজকল্যান, সুরক্ষা সহ অন্যান্য সকল মন্ত্রনালয়, বেসরকারী সংস্হা, সমাজসেবক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সক্রিয় ভাবে সংযুক্ত করা জরুরী । করোনা ভাইরাস প্রতি দিন সংক্রমিত হয়ে মহামারীতে রূপ নিচ্ছে ।

করোনা ভাইরাসে সংক্রমনের কারনে প্রতিদিন শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে তার পরিপ্রেক্ষিতে সর্বস্তরের মানুষের মনোজগতে যে পরিমান শংকা ও ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে এর কারনে আরো অধিক সংখ্যক মৃত্যু আশংকা করা হচ্ছে । শুধু আক্রান্ত ব্যাক্তি নয় অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ বিহীন এ রোগ শনাক্তের জন্য সকল জনগনের/ ব্যক্তির করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষা করা জরুরী ।

সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল গুলির বেহাল অবস্হা আমরা জানি । অনেক হাসপাতালে রোগীদের প্রয়োজনীয় ডাক্তার, বেড ও অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় মাত্র ৩৯৯টি আইসিইউ বরাদ্দ রয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের ভেন্টিলেটর ও আইসিইউ সুবিধা না থাকায় মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। করোনা, হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টসহ জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্য ভেন্টিলেটর ও আইসিইউ সেবা অত্যাবশ্যক। জনসংখ্যা অনুপাতে দেশে কমপক্ষে ১০ হাজার ভেন্টিলেটর ও আইসিইউর প্রয়োজন।

এখনো এ রোগের ভ্যাকসিন অথবা টিকা অথবা ইনজকেশন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। এই মুহুর্তে আমাদের উচিত হবে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সক্ষম দেশ সমূহের সহায়তা নিয়ে সঠিক কর্মকৌশল নির্ধারন করা । সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ডাক্তার, প্রশিক্ষিত নার্স ও দক্ষ টেকনিসিয়ান, প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেটর, আইসিইউ, পিপিই সম্বলিত পূর্নাংগ হাসপাতাল ব্যাবস্হাপনা । জরুরী প্রয়োজন স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়কে ঢেলে সাজানো ।

আসন্ন সংশোধীত ও নতুন বাজেটে স্বাস্হ্য খাতে অধিক পরিমান অর্থ বরাদ্ধ প্রদান করে জনসংখ্যা অনুপাতে অপর্যাপ্ত স্বাস্হ্য ব্যবস্হাকে সম্ভাবনার দোরগোড়ায় পৌছাতে হবে। অন্যথায় অপেক্ষা করছে কঠিন বাস্তবতা, অ…..।