চীনের উচিৎ সঠিক নিয়মে সমস্যার সমাধান করা: মাইক পম্পেও

নিউজ ডেস্ক:   লাদাখ সীমান্ত নিয়ে ভারতের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে চীনের। দুই দেশই সীমান্ত কড়া নজরে রেখেছে। পাশাপাশি মজুত হয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। এমন পরিস্থিতিতে লাদাখ সীমান্ত নিয়ে চীনের আগ্রাসন নীতির বিরোধিতা করে ভারতের পাশে দাঁড়ালো যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সোমবার জানিয়েছেন যে লাদাখ সীমান্তে সেনা বাড়িয়েছে চীন। চীনের স্বৈরাচারী শাসনের প্রভাব সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করছে বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। মাইক পম্পেও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি দায়িত্ব রয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সামর্থ রয়েছে।

এছাড়াও মার্কিন পররাষ্ট্র সংক্রান্ত কমিটির প্রধান এলিয়ট অ্যাঙ্গেল বলেছেন, লাদাখ সীমান্তে চিনের আগ্রাসন নিয়ে তিনি খুব চিন্তিত। চীনের উচিৎ সঠিক নিয়ম মেনে ভারতের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করা।

লাদাখ সীমান্ত নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর পর থেকেই সেখানে চীন ও ভারত অধিক পরিমাণে সেনা মোতায়েন করেছে। হিমালয়ের সীমানা নিয়েই দ্বন্দ্বের কারণে ১৯৬২ সালে যুদ্ধ বেধেছিল চীন ও ভারতের মধ্যে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল অগণিত। ফের আবার সীমানা নিয়েই সমস্যা। এদিকে করোনাভাইরাসের উৎস নিয়ে বিবাদ চলছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়েও চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব রয়েছে। তবে ভারত ও চীন, দুই দেশই এই সীমান্তের বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ চায়না। দুই দেশ নিজেদের মধ্যেই মেটাতে চায় সীমান্তের বিবাদ।