ফেরিতে পারের অপেক্ষমাণ হাজার হাজার যাত্রী

নিউজ ডেস্ক:  দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে সোমবার বিকাল ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ আছে। কিন্তু এরপরও নদী পার হওয়ার অপেক্ষায় হাজার হাজার মানুষ। পরিবার-পরিজন নিয়ে নদীর ঘাটে অবস্থান করছেন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাস্তায় আসা ঘরমুখো এসব মানুষ। শারীরিক দূরত্ব না মেনেই ঘাটের পাশে ভিড় করে বসে আছেন তারা।

শিমুলিয়া ঘাটের আশেপাশে অসংখ্য যানবাহনও নদী পার হওয়ার অপেক্ষায় আছে। সোমবার সকাল থেকে ঘাট এলাকায় আছে শুধু দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। এছাড়া ঘাটের আশেপাশে এক্সপ্রেসওয়ে আছে অসংখ্য গাড়ি।

তারা জানান, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা খুব কষ্ট করে শিমুলিয়া ঘাটে এসেছে। তারা খেয়ে না খেয়ে খুব কষ্ট করে এখানে অবস্থান করছেন।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘাটের দিকে মানুষজন আসছে। কিন্তু ফেরি চলাচল বন্ধ আছে। জরুরি পরিসেবার একটি ফেরি কুমিল্লা লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ঘাট ছেড়ে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ফেরি চালু করার এখনও কোনও নির্দেশনা দেয়নি।

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে ঈদে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। এজন্য পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে মানুষ ও গাড়ির ভিড় দেখা দেখে গত কয়েকদিন। তাই ঝুঁকি কমাতে সোমবার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিইটসি) কর্তৃপক্ষ। জেলা প্রশাসনের অনুরোধে সোমবার (১৮ মে) বেলা ১১টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়ে এগুলোকে মাঝ নদীতে নিয়ে নোঙর করে রাখা হয়।