গণপরিবহন চালু করতে ১১ সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক:    স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারের কাছে গণপরিবহন চালুর দাবি জানিয়ে ১১টি সুপারিশ তুলে ধরেছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দীন চৌধুরী এসব সুপারিশ তুলে ধরেন।

সামসুদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘জীবন যেমন জরুরি তেমনি জীবিকাও দরকার। আর এ দুটোকে সমন্বয় করতে গেলে গণপরিবহন চালুর বিকল্প নেই। জীবিকার তাগিদে একটু একটু করে সবই চালু করতে হবে। তবে তা স্বাস্থ্যবিধি মেনে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনে ৪০ সিটের গাড়িতে ২০ সিট পরিপূর্ণ করে এক আসন ফাঁকা রেখে যাত্রী বহন করলে ও গাড়িতে উঠার আগে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করার ব্যবস্থা এবং প্রতি টিপ শেষে জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে গাড়ি পরিষ্কার করলে করোনার সংক্রমণ থেকে যাত্রীদের রক্ষা করা সম্ভব। একইসঙ্গে ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিকদেরও রুটি রুজি শুরু হবে।’

সংগঠনটির ১১টি সুপারিশ :

*বাস স্টপেজ ও রেল স্টেশনে আসা যাত্রীদের তাপমাত্রা মাপার জন্য স্টেশনে ইনফ্রারেড থার্মোমিটার রাখতে হবে।

*যাত্রীদের চলাচলের স্থানগুলো পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

*বাস স্টপেজ ও রেলস্টেশনে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

*যাত্রীদের অপেক্ষা করার স্থান, বাস কম্পার্টমেন্ট ও অন্যান্য এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

*যাত্রীদের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহারে সচেতন করতে হবে।

*সিট কভারগুলোকে প্রতিনিয়ত ধোয়া, পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

*যাত্রীদের অনলাইনে টিকিট কেনার পরামর্শ দিতে হবে। গণপরিবহনের ওঠা ও নামার সময় শারীরিক দূরুত্ব বজায় রাখার জন্য যাত্রীদের সচেতন করতে হবে।

*গণপরিবহনের চালক-শ্রমিক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, পিপিই ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

*যাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতন করার জন্য পত্রিকা, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অডিও, ভিডিও ও পোস্টারের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করতে হবে।

*যুক্তিসঙ্গতভাবে পরিবহনের ধারণক্ষমতা সীমিত করে যাত্রী নিয়ন্ত্রণ ও যথাসম্ভব যাত্রীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা করতে হবে।

*ফেরি বা নৌ টার্মিনাল এবং নৌযানগুলোকে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি চলছে। তখন থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের গণপরিবহন। তবে গতকাল থেকে দেশের সব শপিংমল ও মার্কেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের শিল্প কারখানাও আস্তে আস্তে চালু হচ্ছে।