একজন মানুষও যেন অনাহারে না থাকে: ড. হাছান মাহমুদ

নিউজ ডেস্ক:    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের লক্ষ্য একজন মানুষও যেন অনাহারে না থাকে।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে তিনি একথা বলেন। এসময় তথ্যসচিব কামরুন নাহার, প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে, যাতে এ বিশেষ পরিস্থিতিতে যারা দিন এনে দিন খায়, যারা দরিদ্র, তাদের যেন অসুবিধা না হয়। সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান, দয়ালু এবং সমাজসেবীরাও এগিয়ে এসেছে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সারাদেশে দরিদ্র মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। একজন মানুষও যেন অনাহারে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ সরকারের নানা সহায়তা কর্মসূচির আওতার মধ্যে আছে এবং সহায়তা পাচ্ছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ভিজিডির মাধ্যমে ১০ লাখ ৪০ হাজার পরিবারকে সহায়তা দিচ্ছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা মূল্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। সাড়ে ১২ লাখ পরিবার ওএমএসের মাধ্যমে সহায়তা পাচ্ছে। মৎস্যজীবী তিন লাখ পরিবার মৎস্য ভিজিএফ পাবে। এর বাইরে জেলা প্রশাসন শাক-সবজি ও দুধ কিনে জনগণের মধ্যে বিতরণ করছে।’

ড. হাছান মাহমুদ জানান, গতকাল (২৫ এপ্রিল) পর্যন্ত এক লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন চাল, ৪৯ কোটি টাকা ও শিশুখাদ্যের জন্য বিশেষ নগদ অর্থ ১১ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতাসহ নানাবিধ ভাতার মাধ্যমে দেশের আরও প্রায় এক কোটির কাছাকাছি লোক নানা ধরনের সহায়তা পাচ্ছে। অর্থাৎ দেশের এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ সরকারের এই সহায়তার আওতার মধ্যে রয়েছে।’