ঢাকার মিরপুর ও বাসাবো এলাকা বেশি আক্রান্ত

নিউজ ডেস্ক:    করোনাভাইরাস বা কভিড-১৯ রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ঢাকার মিরপুর ও বাসাবো এলাকায়। নতুন আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে ঢাকার ১২ জন, নারায়ণগঞ্জের একজন ও মাদারীপুরের একজন রয়েছেন। রাজধানীর বাসাবো এলাকার নয়জন, টোলারবাগের ছয়জন এবং মিরপুরের অন্যান্য এলাকার পাঁচজন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষার পরিধি বাড়ানোর পর বাংলাদেশে এক দিনেই নতুন করে ১৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ জনে পৌঁছাল। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে পৌঁছাল।

রোববার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে নতুন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এটিই এক দিনে আক্রান্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আরও তিনজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে মোট ৩৩ জন বাড়ি ফিরলেন।

মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের পর করোনাভাইরাস নিয়ে অনলাইনে ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সারাদেশের গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪টি কেন্দ্রে ৩৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জনের পরীক্ষা আইইডিসিআরে হয়েছে। পাঁচ জনের অন্যান্য হাসপাতালে পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স ৫৫ বছর, তিনি পুরুষ। তিনি নারায়ণগঞ্জের অধিবাসী। এ ছাড়া চিকিৎসাধীন তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তাদের দুই বার পরীক্ষা করা হয়েছে।

ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছর, দুজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়স পাঁচজনের, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়স তিনজনের, ৬০ বছরের বেশি বয়স একজনের। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও তিনজন নারী।