বিপিএল ও আইসিসির ইভেন্ট থেকে ক্ষতি পোষাবে বিসিবি

নিউজ ডেস্ক:    করোনাভাইরাসে লিগ বাতিল হওয়া ও সিরিজ বাতিল হওয়ার কারণে বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে ক্রিকেট বোর্ডগুলো। অনেক ক্রিকেট বোর্ড সেকারণে ক্রিকেটার ও স্টাফদের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ওই সিদ্ধান্ত এখনই নিচ্ছে না। বোর্ডের আশা করোনায় লকডাউনের জন্য হওয়া ক্ষতি আগামী মৌসুমের বিপিএল এবং আইসিসি ও এসিসির টুর্নামেন্ট থেকে পুষিয়ে নিতে পারবে বোর্ড।

বিসিবির ফাইনান্সিয়াল কমিটির চেয়ারম্যান ইসমাইল হায়দার মল্লিক এমনই মনে করেন। তিনি ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেন, ‘আমাদের আয়ের ৫০ ভাগ আসে আইসিসি এবং এসিসির (এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল) ইভেন্ট খেলে ও আয়োজন করে। বাকি ৫০ ভাগ আসে ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট থেকে। আলাদা করে বললে বিপিএল থেকে।’

করোনার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে লকডাউন চলছে তাতে বিসিবি বার্ষিক আয়ের ২০ থেকে ২৫ ভাগ হারাতে পারে বলে জানান মল্লিক। তাতে বিসিবির ৪০ কোটি টাকার মতো লোকসান হতে পারে। বিসিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অসুবিধা হবে, যদি এ বছর আইসিসি কিংবা এসিসির কোন টুর্নামেন্ট না থাকে। অথবা আমরা যদি বিপিএল আয়োজন করতে না পারি। তবে এখনই তা নিয়ে দুচিন্তার কারণে নেই। আমরা আশা করছি সামনে এই ইভেন্টে অংশ নিয়ে এবং বিপিএলের সফল আয়োজন থেকে এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবো।’

তবে করোনার প্রভাবে যদি চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় টি-২০ বিশ্বকাপ না হয়। যদি সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ আয়োজন সম্ভব না হয় তবেই বিপাকে পড়বে বিসিবি। ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানান, তারা আশাবাদী যে, এই টুর্নামেন্টগুলো মাঠে গড়াবে,’আইসিসির টুর্নামেন্ট হবে না এমনটা এখনই ভাবছি না। আর হলে আমরা বড়ো ক্ষতির মুখে পড়বো না।’ এছাড়া ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ না হলে বিসিবির বেশি অর্থ ক্ষতি হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, টেস্ট সিরিজ থেকে আসলে বাংলাদেশ বেশি অর্থ আয় করতে পারে না।